খেলাপি ঋণের কারণে মনোনয়নপত্র বাতিল ৯৫ জনের

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা ০৫ ডিসেম্বর, ২০১৮

ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণ পরিশোধে খেলাপি হওয়ার কারণে এবারের নির্বাচনে ৯৫ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। এঁদের মধ্যে সর্বাধিক ৩৩ জন প্রার্থী বিএনপির

নিবন্ধিত অন্যান্য দলও কমবেশি ঋণখলাপিদের মনোনয়ন দিয়েছে। তবে এই তালিকায় আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীদের কারও নাম নেই। হলফনামায় তথ্যের গরমিল থাকায় আওয়ামী লীগের একজন মাত্র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। তিনি কুড়িগ্রাম-৪ আসনের বর্তমান সাংসদ জাকির হোসেন।

যদিও গত কয়েক বছরে আলোচিত শীর্ষ ঋণখেলাপিদের কয়েকজন সরকারি দল ও তাদের জোট থেকে প্রার্থী হয়েছেন। বিএনপি থেকে দাবি করা হচ্ছে, এঁরা সরকারের কাছ থেকে সুবিধা নিয়ে তফসিল ঘোষণার আগে আগে ঋণ হালনাগাদ করে নিয়েছেন।

এবারের সংসদ নির্বাচনে নিবন্ধিত ৩৯টি দলের ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে মোট ৩ হাজার ৬৫টি মনোনয়নপত্র জমা পড়ে। ২ ডিসেম্বর বাছাইয়ে ৭৮৬ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়ে যায়। এর মধ্যে বিএনপির ১৪১টি। বাছাই শেষে যে হিসাব দাঁড়িয়েছে, তাতে বর্তমানে মোট বৈধ প্রার্থী ২ হাজার ২৭৯। এর মধ্যে রাজনৈতিক দলের বৈধ প্রার্থী ২ হাজার ১৬৫ জন এবং স্বতন্ত্র ১৪৪ জন।

বিএনপি–মনোনীত ৩৩ ঋণখেলাপি
খেলাপি ঋণের কারণে মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া বিএনপির ৩৩ প্রার্থী হলেন—শাহীনুর ইসলাম (দিনাজপুর-৬), আব্দুল খালেক (কুড়িগ্রাম-৩), রফিকুল ইসলাম (গাইবান্ধা-৩), নাজেমুল ইসলাম প্রধান (গাইবান্ধা-৫), এ কে এম মতিউর রহমান (রাজশাহী-৩), এম এ মুহিত (সিরাজগঞ্জ-৬), এস এম শফিকুল আলম (খুলনা-৬), মো শাহাজান (পটুয়াখালী-৩), গোলাম নবী আলমগীর (ভোলা-১), মাহবুব আনাম (টাঙ্গাইল-১), নুর মোহাম্মদ খান (টাঙ্গাইল-৬), হজরত আলী (শেরপুর-১), মো. আখতারুজ্জামান (কিশোরগঞ্জ-২), মো. আবদুল্লাহ (মুন্সিগঞ্জ-১), নাসিমা আক্তার কল্পনা (ঢাকা-৭), সাজ্জাদ জহির (ঢাকা-৮), আফরোজা আব্বাস (ঢাকা-৯), আবু বকর সিদ্দিক (ঢাকা-১৪), এ কে এম মোয়াজ্জেম হোসেন (ঢাকা-১৬), শওকত আজিজ (ঢাকা-১৭), সুলতান আহমেদ (ঢাকা-২০), মাকসুদুল আলম খন্দকার (নারায়ণগঞ্জ-৫), জয়নুল জাকেরীন (সুনামগঞ্জ-৪), কাজী নাজমুল হোসেন (ব্রাক্ষণবাড়িয়া-৫), আবদুল গফুর ভূঁইয়া (কুমিল্লা-১০), আবদুল লতিফ জনি (ফেনী-৩), গিয়াস কাদের চৌধুরী (চট্টগ্রাম-২ ও ৭), এ কে এম আবু তাহের (চট্টগ্রাম-৩), আসলাম চৌধুরী (চট্টগ্রাম-৪), আবু আহমেদ হাসনাত (চট্টগ্রাম-৭), সামসুল আলম (চট্টগ্রাম-১০) ও সামির কাদের চৌধুরী (চট্টগ্রাম-৬)।

অন্যান্য দল ও স্বতন্ত্র খেলাপি প্রার্থী
খেলাপি ঋণের কারণে স্বতন্ত্র ও অন্যান্য দলের প্রার্থীরা হলেন রাইসুল ইসলাম (দিনাজপুর-৩), আতাউর রহমান (দিনাজপুর-৬), রশিদুল ইসলাম (নীলফামারী-৪), কুমারেশ চন্দ্র রায়-জাসদ (রংপুর-২), আব্দুর রাজ্জাক সরকার-জেএসডি (গাইবান্ধা-১), মাহবুব আলী (বগুড়া-৫), ফয়সাল বিন শফিক-জাকের পার্টি (বগুড়া-৬), মো. শাহাবুদ্দিন-জাতীয় পাটি (রাজশাহী-৩), আলাউদ্দিন মৃধা-জাতীয় পার্টি (নাটোর-৪), জিয়াউর রহমান (সিরাজগঞ্জ-৩), হাবিবুর রহমান-মুসলিম লীগ (সিরাজগঞ্জ-৬), মো. রোকনুজ্জামান-জাসদ (কুষ্টিয়া-৪), মহিদুল ইসলাম-জাকের পার্টি (যশোর-২), মারুফ হাসান-বিকল্পধারা (যশোর-৩), নাজিম উদ্দিন আল আজাদ-বিকল্পধারা (যশোর-৪), শেখ জামাল উদ্দিন আহমেদ (নড়াইল-২), এস এম জুবায়ের-জাতীয় পার্টি (বাগেরহাট-১), বিশ্বজিৎ সাধু (সাতক্ষীরা-১), এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার-জাতীয় পার্টি (পটুয়াখালী-১), খবির উদ্দিন হাওলাদার-বাংলাদেশ মুসলিম লীগ (পটুয়াখালী-১), ইয়াসমীন আক্তার (ঝালকাঠি-১), কাদের সিদ্দিকী-কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ (টাঙ্গাইল-৪ ও ৮), সৈয়দ মুজিবর রহমান-খেলাফত মজলিশ (টাঙ্গাইল-৭), কাজী আশরাফ সিদ্দিকী-জাতীয় পার্টি (টাঙ্গাইল-৮), চৌধুরী মো. ইসহাক-জেএসডি (ময়মনসিংহ-৬), এম এ বাশার-এলডিপি (ময়মনসিংহ-৮), নজরুল ইসলাম-মুসলিম লীগ (নেত্রকোনা-১), জাকির হোসেন তালুকদার (নেত্রকোনা-৫), এস এম আবদুল মান্নান-জাতীয় পার্টি (মানিকগঞ্জ-২), নোমান মিয়া-জাতীয় পার্টি (মুন্সিগঞ্জ-২), সুলতান আহমদ খান-ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ (ঢাকা-৩), মালেক-খেলাফত আনন্দোলন (ঢাকা-৪), কবির হোসেন-বিকল্পধারা (ঢাকা-৪), নজরুল ইসলাম-গণফোরাম (ঢাকা-৪), ফরিদুল আকবর-গণফোরাম (ঢাকা-১০,১৬ ও ১৭), সৈয়দ সাইফুদ্দিন আহমদ-ইসলামিক ফ্রন্ট (ঢাকা-১৪), মুকুল আমিন-জেপি (ঢাকা-১৫), আরিফুল হক-বিকল্পধারা (ঢাকা-১৭), রুবেল আজিজ (ঢাকা-১৭), শহীদ উদ্দিন মাহমুদ-জেএসডি (ঢাকা-১৮), সিরাজুল হক-গণফ্রন্ট (নারায়ণগঞ্জ-৩), গিয়াস উদ্দিন (নারায়ণগঞ্জ-৪), হাফিজুর রহমান-সিপিবি (ফরিদপুর-২), আলমগীর হোসেন-জাকের পার্টি (শরিয়তপুর-১), নুরুল আমীন-ইসলামী আন্দোলন (সিলেট-৫), মুহিবুল কাদের চৌধুরী-জাতীয় পার্টি (মৌলভীবাজার-২), রেজা কিবরিয়া-গণফোরাম (হবিগঞ্জ-১), সৈয়দ ইফতেকার আহসান-জাতীয় পার্টি (কুমিল্লা-১), নজরুল ইসলাম-এনপিপি (কুমিল্লা-৩), মোস্তাক আহমেদ-মুসলিম লীগ (কুমিল্লা-৩), আনিসুর রহমান-জাগপা (কুমিল্লা-৩), আবুল কালাম আজাদ (কুমিল্লা-৪), শাহ আলম-ইসলামী ঐক্যজোট (কুমিল্লা-৫), শেখ আবদুল বাতেন-গণফোরাম (কুমিল্লা-৫), খোরশেদ আলম-জাতীয় পার্টি (চাঁদপুর-৫), নেয়ামুল বশির-এলডিপি (চাঁদপুর-৫), এম এ আউয়াল-জাকের পার্টি (লক্ষ্মীপুর-১), মাহবুব আলম (লক্ষ্মীপুর-১) ও আবুল কাশেম-জাসদ (চট্টগ্রাম-৩)।

বাতিলের কারণ স্থানীয় সরকার
স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান ও মেয়র পদে থাকার কারণে বিএনপিসহ বিভিন্ন দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের অর্ধশতাধিক মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। এ তালিকায় বিএনপির প্রার্থী রয়েছেন অন্তত ৩০ জন। এঁদের অনেকে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের পদ ছেড়ে দিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এসব ক্ষেত্রে মনোনয়নপত্র বাতিলের কারণ হিসেবে রিটার্নিং কর্মকর্তারা উল্লেখ করেছেন—পদত্যাগের সরকারি প্রজ্ঞাপন তাঁদের হাতে পৌঁছায়নি।

স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন কি না, সে বিষয়ে আদালতের সুস্পষ্ট কোনো নির্দেশনা নেই। সিটি করপোরেশনের ক্ষেত্রে আদালত বলেছেন, মেয়ররা পদত্যাগ করে সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন। আবার পৌরসভার ক্ষেত্রে বলা হয়েছে, মেয়ররা পদে থেকে নির্বাচন করতে পারেবন।

কিন্তু এবারের নির্বাচনে নির্বাচন কমিশন (ইসি) থেকে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের মৌখিকভাবে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের জনপ্রতিনিধিরা পদে থেকে সংসদ সদস্য প্রার্থী হলে তা যেন বাতিল করে দেওয়া হয়। যে কারণে প্রার্থীরা পদত্যাগ করেও রেহাই পাননি।

এ তালিকায় বিএনপির উল্লেখযোগ্য প্রার্থীরা হলেন মামুনুর রশীদ চৌধুরী (দিনাজপুর-১), সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম (দিনাজপুর-৩), আমজাদ হোসেন সরকার (নীলফামারী-৪), জাহাঙ্গীর আলম (লালমনিরহাট-১), ফজলুর রহমান (জয়পুরহাট-১) ও আব্দুল মহিত তালুকদার (বগুড়া-৩)।

আইনে বলা আছে, ছোটখাটো ভুলত্রুটির কারণে মনোনয়নপত্র বাতিল করা যাবে না। আয়কর রিটার্ন জমা না দেওয়া এবং হলফনামায় সই না থাকার কারণে অনেকের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতার কাগজপত্র না থাকার কারণেও একাধিক ব্যক্তির মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।

মন্তব্য

  • image

    S. M. Abdul Haque

    ০৫ ডিসেম্বর, ২০১৮

    সরকারের কাছ থেকে সুবিধা নিয়ে তফসিল ঘোষণার আগে আগে ঋণ হালনাগাদ করে যদি পাচ বছর আরাম আয়েশ করা যায় অসুবিধা কি।

  • image

    Saki

    ০৫ ডিসেম্বর, ২০১৮

    I am deeply observing curious case of Reza Kibria whose nomination cancelled due to $19 credit card defaulter, a significant measure to analyze level playing field.

    • image

      Nazmul Hassan

      ০৫ ডিসেম্বর, ২০১৮

      He already appealed & will pay $19. No issue!

  • image

    Probal

    ০৫ ডিসেম্বর, ২০১৮

    বিএনপি ও তাদের সুশিলরা এতোদিন বাংলাদেশের মানুষদের ব্যাংকের টাকা লুটের গল্প শোনাত। এখন দেখছি বিএনপির নেতারাই ব্যাংকের টাকা লুটে সব চেয়ে এগিয়ে। তাদের ৩৩ জন নেতা ব্যাংকের টাকা লুটে নিয়েছেন। অবস্য বিএনপির সুশিলরা তাদের পক্ষের ব্যাংক লুটেরাদের বলেন "ঋন খেলাপি", - যাতে করে আমজনতা বুঝতে না পারে, বিএনপির নেতারাও ব্যাংকের টাকা লুট করেছে।

    • image

      নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

      ০৫ ডিসেম্বর, ২০১৮

      ক্ষমতা থেকে সরেন তারপর বোঝা যাবে কারা ব্যাংকের টাকা লুটে সব চেয়ে এগিয়ে, আমজনতা বুঝতে পারবে ব্যাংকের টাকা লুট করেছে কারা

    • image

      নাসিম

      ০৫ ডিসেম্বর, ২০১৮

      সবার মুখোখ খসে পড়বে

    • image

      aupurbo

      ০৫ ডিসেম্বর, ২০১৮

      জনাব প্রবাল, দেশের সবচেয়ে বড় ঋণখেলাপির নাম কি বলেন তো! জানি বলবেন না, বললে আপনারও চাকরি থাকবে না!

    • image

      Probal

      ০৫ ডিসেম্বর, ২০১৮

      লজ্জিত জনাব, ২০০১ সালে ক্ষমতায় এসে বেগম জিয়া সংসদের প্রথম অধিবেসনে দাড়িয়ে বলেছিলেন - ১৯৯৬-২০০১ শেখ হাসিনার সরকারের সকল দুর্নীতির তথ্য তিনি বেড় করে শ্বেতপত্র বেড় করবেন, যাতে দেশবাসি জানতে পারে। দুদক ও বিদেশি ভাড়া করা সংস্থার অনেক চেষ্টা সত্বেও তার ৫ বছরে তার শাসন আমেল, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে কোন শ্বেতপত্র বেড় করতে পারননি। থাকলে তো পারতেন। উনি ক্ষমতা থেকে বিদায় নেয়ার পর হাওয়া ভাবনের গল্প আমারা সবাই জানেছি। তাই বলছি এই সব হওয়া ..হওয়া গল্প বলা বাদ নি।

    • image

      Sayed Abdul Baten

      ০৫ ডিসেম্বর, ২০১৮

      But now the scenario is opposite, rulling party is Awami League but bankrupt is BNP/anti AL. Ellection commission is not found AL bankrupt. I think EC and Jurnalists are just hidding and giving them favour.

  • image

    Sayed Abdul Baten

    ০৫ ডিসেম্বর, ২০১৮

    How mysterious is it? Awami League leading the country science 10 years and all anti Awami League party/people were out of power and in misery condition but money laundering and bankruptcy is occurred by BNP and Ant Awami League people. How they did this? Dear journalists, may be you are hiding and lying the news published about Awami League illegal activities science 10 years.

    • image

      Shubhro Ahmed

      ০৫ ডিসেম্বর, ২০১৮

      Science হবে না, Since হবে।

    • image

      Sayed Abdul Baten

      ০৫ ডিসেম্বর, ২০১৮

      Mr.Shubhro Ahmed, Thank you so much Actually i got it after posting but no option to correct. Please pardon me.

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ০৫ ডিসেম্বর, ২০১৮

    i want huge punishment for the loan defaulter .but we know that there is no punishment given.

  • image

    Abdul Awal

    ০৫ ডিসেম্বর, ২০১৮

    ভালো লোক আর রাজনিতেতে কোথায়? সরকারে থাকলে সুবিধা নেবেই। মূল হল জনগণ। জনগণ যদি ভোট দেবার সময় ভালো প্রার্থী দেখে ভোট দিত তাহলে দেশের রাজনৈতিক পরিবেশ অন্যরকম হত। ঋণ খেলাপি মামলার আসামি এরা আর নমিনেশন পেত না। জনগণ তো শুধু মার্কা দেখে ভোট দেয়, মার্কার পেছনে কলাগাছ দাড়িয়ে আছে না ঋণ খেলাপি না হত্যা মামলার আসামী তা নিয়ে জনগনের মাথা ব্যাথা নেই। সে কারনেই তো রাজনৈতিক দোলগুলো এদের মত লোককে নমিনেশন দিতে ভয় পায়না। ফলে যা হবার তাই হবে। চীনা একটা প্রবাদ আছে, "যে জাতি যেমন সে তেমন নেতা পায়"।

  • image

    Azizul Hoque

    ০৫ ডিসেম্বর, ২০১৮

    নির্বাচন কমিশনে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের পাঠানো তালিকায় দেখা গেছে-বাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। তার মনোনয়নপত্র বাতিল করার কারণ হিসেবে জেলা প্রশাসক তথা রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেছেন-রাজনৈতিক দলের মনোনয়নে প্রার্থী ঘষামাজা করেছেন।................ Change this AL DC

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ০৫ ডিসেম্বর, ২০১৮

    একটা দল হল ধোয়া তুলশীর পাতা, আর যতো দোষ নন্দ ঘষ, হাস্যকর সব কাজ কারবার

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ০৫ ডিসেম্বর, ২০১৮

    ঋণ খেলাপিতে জামায়াতের কেউ নেই?

  • image

    MD NAHID IMAM

    ০৫ ডিসেম্বর, ২০১৮

    জামাতে কই জন ঋণখেলাপি কারো কি জানা আসে? এই বেপারে পত্রিকায় একটা নিউজ আসা করছি.

    • image

      Shubhro Ahmed

      ০৫ ডিসেম্বর, ২০১৮

      বুঝি না আপনারা অনেকেই জামাতের প্রতি কেন এত সহানুভূতিশীল। ওরা তো বাংলাদেশের অস্তিত্বেই বিশ্বাস করে না। ওরা নির্বাচনে নেমেছে এখন বিএনপি'র ল্যাজ ধরে। যেনতেন প্রকারে তারা মাঠে থাকতে চায়, পাকিস্তান ঘেষে ক্ষমতায় আসতে। যারা এমনটি চান পাকিস্তানে চলে গেলেই পারেন। জানি তারা যাবেন না। কারন সেখানে গিয়ে করাচীর বাংলা কলোনীতে উঠতে হবে, পুলিশের ঠ্যাংগানি খেতে হবে। বাংলাদেশ একটি স্বাধীন দেশ। সে চলবে তার নিজের মত করে। নিজের বুকে বল রাখুন, স্বাধীন দেশের নাগরিক হিসেবে আর দশজনের মত সঠিক পথে দেশের সেবা করুন।

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ০৫ ডিসেম্বর, ২০১৮

    স্থানীয় জনপ্রতিনিধি পদে বহাল থাকায় মনোনয়ন বাতিল! একই যুক্তিতে কেন এমপি পদ থাকা অবস্থায় এমপি নির্বাচনের মনোনয়ন বাতিল হবেনা? না কি বিচার মানি ! তালগাছটা আমার?

    • image

      নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

      ০৫ ডিসেম্বর, ২০১৮

      একজন এম পি পদে থেকে পুনরায় নির্বাচন করে হেরে গেলে তিনি আর কোন পদেই রইলেন না । অথচ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি পদে থেকে এম পি নির্বাচন করলে যদি হেরে যান , তাহলেও তার স্থানীয় পদটি রয়ে যায় । তাই এম পি পদে নির্বাচনে হেরে গেলে উনি যেন সব হেরে যাওয়াদের মত আর কোন লেভেলেই জনপ্রতিনিধি থাকতে না পারেন, তাই এই ব্যবস্থা । তালগাছটা চিনতে পারছেন তো ?

    • image

      Shubhro Ahmed

      ০৫ ডিসেম্বর, ২০১৮

      সংসদের শেষ অধিবেশনের পর কিন্তু এখন এমপি পদে কেউই নেই। অন্তরবর্তিকালীন সরকার পরিচালনার জন্য কেবল মন্ত্রীরা আছেন। তাঁরাও এমপি নন।

  • image

    Shubhro Ahmed

    ০৫ ডিসেম্বর, ২০১৮

    মনোনয়ন প্রার্থীদের ওপর চাঁদাবাজী করেছেন। অথচঃ তাদের সুবিধা অসুবিধাগুলো বুঝেও তাদের সাহায্য করতে এগিয়ে আসে নি তাদের দল।

  • image

    A.K.M.OBAIDULLAH

    ০৫ ডিসেম্বর, ২০১৮

    নির্বাচন হবে এই ডিসেম্বরে, এটা কয়েক বসর আগে থেকেই জানা সবার । তাই যারা প্রার্থী হবেন, তাদের আগে থেকেই প্রস্তুতি নেওয়া উচিৎ ছিল । আওয়ামীলীগ ৩০০ আসনের বিপরীতে ২৮১ জনকে মনোনয়ন দিয়েছে ; অথচ বি এন পি মাত্র ৬৯৬ জনকে মনোনয়ন দিয়েছে । তাহলে দলেরই তো কোন প্রস্তুতি নাই । বৈধ ৫৫৫ জনের মধ্য থেকে বি এন পি কেই তো ৩৫৫জনকে (শরীকদের ১০০ ছাড় ) বাদ দিতে হবে !

  • image

    Md. Asraful Alam

    ০৫ ডিসেম্বর, ২০১৮

    প্রথম আলোর# দৃষ্টি আকর্ষণ করছি ঋণ খেলাপিদের পাশে যদি খেলাপি টাকার অংকটা দিতেন তাহলে ভাল হতো কারণ অনেকের ভাবনা এমন যে ক্ষমতায় যারা তারা নয় বিরোধীরা লুটে পুটে সব খেয়েছেন!!! আসলে তাই! নাকি রেজা কিবরিয়ার ৬০০০টাকা, মোহাম্মদ মুছা খান ২৮৮৮ টাকা ঋণ খেলাপির মত বাকিরাও ঋণ খেলাপি জাতি তা জানতে চায়।

  • image

    alamgir alam

    ০৫ ডিসেম্বর, ২০১৮

    যারা ঋণ খেলাপী হয়ে আছেন, তারা ভাল করেই জানেন যে, তারা ঋণ খেলাপী । তারপরও তারা সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়ার চেষ্টা করে। বিষয়টি খুবই হাস্যকর এই জন্যই যে, কোনমতে ধামাচাপা দিয়ে পাড় পাওয়া। আর একবার এমপি হলে তো কোন ব্যাংকের ক্ষমতা হবে না একজন এমপি থেকে টাকা উদ্ধার করার।

সব মন্তব্য