শেষ মুহূর্তে বিএনপির সঙ্গে ঐক্যফ্রন্ট শরিকদের দর-কষাকষি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা ০৭ ডিসেম্বর, ২০১৮

ফাইল ছবিজোটের শরিকদের সঙ্গে আসন সমঝোতা করতে বিএনপি শেষ মুহূর্তে দফায় দফায় বৈঠক করছে। মূলত, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শরিকদের সঙ্গে আসন নিয়ে এখনো দর-কষাকষি চলছে।

আজ শুক্রবার বিকেলে বিএনপি নিজেদের দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করে। তারা ২০৬ জনকে চূড়ান্ত করেছে। বাকি ৯৪টি আসন জোটের শরিক ও আপিলের শুনানিতে প্রার্থিতা ফিরে পাওয়া প্রার্থীদের জন্য রাখা হয়েছে। আগামীকাল শনিবার বিএনপির সব আসনের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করার কথা।


বিএনপি এবার ২০ দল ও নবগঠিত জোট জাতীয় ঐক্যফ্রন্টকে নিয়ে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন করবে। ৯ ডিসেম্বর রোববার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বিএনপির সঙ্গে শরিকদের বৈঠক চলছে।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিকেলে দলীয় প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করে বেইলি রোডে ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ড. কামাল হোসেনের বাসায় যান। এ জোটের একটি সূত্র জানায়, বৈঠকে গণফোরামের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। অন্য শরিকদের আসনে ‘আপাতত’ সমঝোতা হলেও গণফোরামের সঙ্গে দর-কষাকষি এখনো চলছে। কামাল হোসেনের বাসার বৈঠকটি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। রাতেই বিএনপির গুলশান অফিসে সুব্রত চৌধুরী, মোস্তফা মোহসীন মন্টু ও সুলতান মনসুরের সঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরা আবারও বৈঠকে বসেছেন। এ ছাড়া আলাদাভাবেও দলগুলোর সঙ্গে কথা বলছেন বিএনপির নেতারা

জোটের বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, বিএনপি থেকে গণফোরামকে ৬টি, নাগরিক ঐক্যকে ৪টি, জেএসডিকে ৩টি ও কৃষক শ্রমিক জনতা লীগকে ২টি আসন দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। কিন্তু গণফোরাম আরও কয়েকটি আসন চায়। গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী ঢাকা-৬ আসন থেকে মনোনয়ন নিয়েছেন। একই আসনে বিএনপির নেতা সাদেক হোসেন খোকার ছেলে ইশরাক হোসেন মনোনয়ন নেন। নাগরিক ঐক্যকে যে আসনগুলো দিতে চাইছে, সেগুলো নিয়ে তারা সন্তুষ্ট নয়। এ ছাড়া জেএসডি, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগও আরও কয়েকটি আসন চায়।

মন্তব্য

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ০৭ ডিসেম্বর, ২০১৮

    বিএনপির উচিৎ দেশের স্বার্থে ঐক্য ফ্রন্টের শরিকদের আরো কয়েকটি আসন দেয়া, এতে বিএনপির ভালো ছাড়া খারাপ কিছু হবেনা।

    • image

      Sahabuddin Ahmed

      ০৮ ডিসেম্বর, ২০১৮

      ভারসাম্য থাকবে ??

    • image

      নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

      ০৮ ডিসেম্বর, ২০১৮

      প্রায় ১০০টির মতো তো দিয়ে দিলো, কমতো না।

  • image

    সোলায়মান

    ০৭ ডিসেম্বর, ২০১৮

    এটি তো কোন আদর্শিক ঐক্য নয়, ভাগাভাগির ঐক্য। তাই আসন তো দিতেই হবে।

    • image

      নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

      ০৮ ডিসেম্বর, ২০১৮

      নিজেদের কথা অন্যের বলে চালিয়ে দিলে কি চলে? চট্রগ্রামের কে যেন বলেছে নির্বাচনে জয়ী হলে সবাই মিলে ভাগাভাগি করে খাবো !

  • image

    রাজিব

    ০৭ ডিসেম্বর, ২০১৮

    বিএনপি নেতারা অত্যন্ত দক্ষতার সাথেই পরিস্থিত মোকাবেলা করে যাচ্ছে।

    • image

      নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

      ০৭ ডিসেম্বর, ২০১৮

      কারণ খালেদা-তারেক নেই। খালেদা-তারেক মুর্খতামি না করলে পাঁচ বছর আগেই এমন দক্ষতার সাথে পরিস্থিতি মোকাবেলা করা যেত। মির্জা ফকরুল তার রাজনৈতিক দক্ষতার প্রমাণ দিচ্ছেন।

    • image

      Nauzuan

      ০৮ ডিসেম্বর, ২০১৮

      Salute to Mirza Fakhrul & Other prime leaders. They are doing best job ever.

    • image

      Md. Rabiul Islam

      ০৮ ডিসেম্বর, ২০১৮

      মি. নাম প্রকাশ অনিচ্ছুক, আপনি লীগের চর্কায় তেল দেন। কারণ দরকষাকষি বলেন আর মনোনয়ণ বলেন, তারেকের কথার বাইরে কিছুই হচ্ছে না।

  • image

    M HASAN FUAD

    ০৮ ডিসেম্বর, ২০১৮

    ঐক্যফ্রন্টের শরিকদের জন্য ১০টি আসনই যথেষ্ট।

  • image

    Ahsan

    ০৮ ডিসেম্বর, ২০১৮

    বিএনপিকে বহু বছর পর অত্যন্ত দক্ষতার সাথে রাজনীতি করতে দেখে ভালো লাগছে। এখন কেন জানি মনে হচ্ছে, এবারের নির্বাচনটা হতে যাচ্ছে সেয়ানে- সেয়ানে।

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ০৮ ডিসেম্বর, ২০১৮

    ঐক্যফ্রন্টএ সবাই পেল ১৫টা আসন আর জামাত একাই পেল ২৫ টা আসন, এই তাদের ঐক্য, এই তাদের আদর্শ, জয় বাংলা বাংলাদেশ জিন্দাবাদ,

  • image

    Mohi Khandaker

    ০৮ ডিসেম্বর, ২০১৮

    ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের এ একটা সুযোগ এসেছে বি এন পির কাঁধে চড়ে সংসদে যাওয়ার।

  • image

    Anwar Kamal

    ০৮ ডিসেম্বর, ২০১৮

    শেষ পর্যন্ত তারেকের দয়ার উপড়ই ডঃ কামালকে থাকতে হচ্ছে।

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ০৮ ডিসেম্বর, ২০১৮

    এদের (বিএনপিঐক্যফ্রন্ট ) যে কোনো গ্রহণযোগ্যতা নেই তার প্রমাণ পাওয়া গেল

    • image

      Md. Rabiul Islam

      ০৮ ডিসেম্বর, ২০১৮

      আবুল, দরকষাকষিতে অগ্রহণযোগ্যতা কই দেখলেন!!

  • image

    Md. Shahin Mahmud Khan

    ০৮ ডিসেম্বর, ২০১৮

    ৭০ আসনের বেশী দেয়া ঠিক হবে না।

  • image

    Rubina Akter

    ০৮ ডিসেম্বর, ২০১৮

    ১৫০ঃ১৫০ আসন ভাগাভাগির বড় বড় বুলি শেষ পর্যন্ত ১৫ আসনে রফা!

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ০৮ ডিসেম্বর, ২০১৮

    আশা করি সর্বোচ্চ ছাড় দিবে কারণ আন্দোলনের অংশ হিসেবে গত পাঁচ বছর তাদের একজনও সংসদে ছিল না, এ নির্বাচনও আন্দোলনেরই অংশ।

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ০৮ ডিসেম্বর, ২০১৮

    Is BNP using Jatiya Okkafront ?

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ০৮ ডিসেম্বর, ২০১৮

    its a non ideal alliance.

  • image

    Md. Kamruzzaman

    ০৮ ডিসেম্বর, ২০১৮

    ভাই ঐক্যফ্রন্ট। আপনাদের চিন্তাকরা উচিৎ ভোটার সব বিএনপির।

  • image

    MD.ABDUR RAHMAN

    ০৮ ডিসেম্বর, ২০১৮

    দর কষাকষি রাজনীতিরই অংশ। তবে এ দর কষাকষি যেন নিজেদের গলার রশি না হয় সেদিকে নজর রাখতে হবে। যেখানে ধানের শীষ নিয়ে যিনি জিততে পারবেন তাকেই সেখানে মনোয়ন দিতে হবে। এতে বিএনপি যতদূর সম্ভব ছাড় দেবে আর অন্যদলগুলোও যত কম সম্ভব চাহিদা প্রকাশ করবে, এমনকি কোন দলের কেউ যদি এমপি মনোনয়ন নাও পায় তাদেরও মন খারাপ করার কিছু নেই। কেন না ধানের শীষ বিজয়ী হলে আপনিও বিজয়ী হবেন।

  • image

    প্রকৌঃ শাহীনুর আলম নাছিম

    ০৮ ডিসেম্বর, ২০১৮

    জামায়াত নিবন্ধিত দল নয়। তাই, তারা ২৫ আসন পেতে পারে না। বিএনপি অবশ্যই অগ্রাধিকার যতদূর সম্ভব ঐক্যফ্রন্টকে আরো সীট প্রদান করতে হবে।আশা করি সর্বোচ্চ ছাড় দিবে.

সব মন্তব্য