ভোটে নেই বিএনপির অনেক ‘পরিচিত’ মুখ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা ০৭ ডিসেম্বর, ২০১৮

(উপরের বাঁ দিক থেকে)জমিরউদ্দিন সরকার ,নজরুল ইসলাম খান,মাহবুবুর রহমান,রফিকুল ইসলাম মিয়া,সালাউদ্দিন আহমেদ, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালএকাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২০৬ আসনে দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করেছে বিএনপি। এবারের নির্বাচনে দলটির নবীন প্রার্থীর সংখ্যা কম নয়। বয়স, দণ্ডপ্রাপ্ত হওয়া এবং কোনো কোনো প্রার্থী শেষ পর্যন্ত মনোনয়ন দাখিল না করার কারণে বিএনপির অনেক পরিচিত মুখ ভোটে নেই।

দণ্ড হওয়ায় ভোটে নেই বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। তাঁর ছেলে ও দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানও একই কারণে নির্বাচন করতে পারছেন না।

এবার বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। এ কারণে তিনি নির্বাচন করছেন না বলে জানিয়েছেন। বয়সের কারণে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন না দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য জমিরউদ্দিন সরকার ও মাহবুবুর রহমান। একটি দুর্নীতির মামলায় তিন বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপির অপর স্থায়ী কমিটির সদস্য রফিকুল ইসলাম মিয়াও নির্বাচন করতে পারছেন না। ভারতে থাকা বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদ এবার ভোটে নেই।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু তাঁর মনোনয়নপত্র জমা দেননি। ১০ বছরের কারাদণ্ড হওয়ার কারণে সাদেক হোসেন খোকা নির্বাচন করতে পারছেন না। মনোনয়ন অবৈধ হওয়ার কারণে আমিনুল হক ভোটে নেই। এ ছাড়া বিভিন্ন মামলায় সাজা বহাল থাকার কারণে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান এম মোর্শেদ খান, ইকবাল হাসান মাহমুদ, এ জেড এম জাহিদ হোসেন, আবদুস সালাম পিন্টু, আহমদ আযম খান, গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, ওসমান ফারুক ও মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিনের নাম নেই বিএনপি ঘোষিত তালিকায়।

আমান উল্লাহ আমান ও হাবিব-ঊন নবী খান সোহেলদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন না। তাঁর নির্বাচনী এলাকায় বিএনপির কোনো প্রার্থীর পক্ষে ভোটে জেতাও কঠিন। অবশ্য রিজভী বলছেন, দলের কারাবন্দী চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও বিদেশে থাকা ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নির্বাচন না করার কারণে তিনি ভোটে নেই। দলের যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ও হাবিব-ঊন নবী খান সোহেল মনোনয়ন সংগ্রহ করেও তা জমা দেননি। মনোনয়ন জমা না দেওয়ার কারণ জানাননি কারাবন্দী সোহেল। তবে আলাল বলেছেন, তাঁর পছন্দমতো আসনে তাঁকে মনোনয়ন দেওয়া হয়নি। এমনকি মনোনয়ন নিয়ে তাঁর সঙ্গে কেউ কথাও বলেননি। ঋণখেলাপি হওয়ার কারণে আসলাম চৌধুরীর মনোনয়ন বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন।

এ ছাড়া জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন, সম্পদের তথ্য গোপনের মামলায় সাজার কারণে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমান উল্লাহ আমান ও কামরুল ইসলাম নির্বাচন করতে পারছেন না।

একাধিক মামলায় দণ্ডিত হওয়ার কারণে বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু নির্বাচন করছেন না। তাঁর পরিবর্তে স্ত্রী ভোট করছেন। এ ছাড়া দণ্ডিত হওয়ার কারণে বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য আবদুল ওহাব ও আবদুল ওদুদ এবার ভোটের মাঠে নেই।

মন্তব্য

  • image

    Deepak Eojbalia

    ০৭ ডিসেম্বর, ২০১৮

    If these personalises remain in the election race, the election may be significant.

  • image

    Mohammed

    ০৭ ডিসেম্বর, ২০১৮

    মানীর মান মানীই রাখে ! জামানত হারানোর ভয় থাকলো না,পরাজয়ের গ্লানী ললাটে লাগলো না - সারাক্ষণ 'জয়ী','জয়ী' ভাবে আচ্ছন্ন থাকা গেলো !!

  • image

    Mahbub Alam

    ০৭ ডিসেম্বর, ২০১৮

    রুহুল কবির রিজবী কথা শুনে মনে পরে নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা!!!!!

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ০৮ ডিসেম্বর, ২০১৮

    যারা আছেন তারাই বা কি এমন তুলশি ধোয়া পাতা?

  • image

    M HASAN FUAD

    ০৮ ডিসেম্বর, ২০১৮

    সালাহউদ্দিন আহমেদ ও সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালের নির্বাচন না করাটা দুঃখজনক। তাদের মত পরিচ্ছন্ন, জনপ্রিয় ও মেধাবী রাজনীতিবিদদের সংসদে বড় বেশি প্রয়োজন।

  • image

    Mohammad Abidur Rahman

    ০৮ ডিসেম্বর, ২০১৮

    No problem...

  • image

    Moazzma H

    ০৮ ডিসেম্বর, ২০১৮

    A party of criminals

  • image

    Azizul Hoque

    ০৮ ডিসেম্বর, ২০১৮

    They are not in vote but they are in election, directly or indirectly. Most of them have good contribution for the development of politics, party (BNP) and their local area. Each of them have supporter, the leaders will work for BNP/oikkofront. Most of them are suffering for political issues and injustice by un elected government. We believe the mentioned leaders, their supporters, their friends, family and well wishers will give their best effort and will help/support each others to win on 30th December. We want change !

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ০৮ ডিসেম্বর, ২০১৮

    ১ মাস আগেই উনাদের সন্নাসীর বেশে গৃহত্যাগ করাটা রহস্য জনক/ নির্বাচনের দিন কোন ঘোঁট পাকায় তাই দেখার বিষয় এখন/

  • image

    এস দেওয়ান

    ০৮ ডিসেম্বর, ২০১৮

    পুরো বিএনপিকে ভোট থেকে দূরে রাখা উচিৎ । এই দল ক্ষমতায় এলে আবার দেশটাকে লুটবে ।

    • image

      নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

      ০৮ ডিসেম্বর, ২০১৮

      দেশটাকে লুটবার আর কি বাকি রাখছেন আপনারা? রিজার্ভ ব্যাংকের টাকার কি কোন খবর আছে কিংবা শেয়ার বাজারের ৬০০০০ কোটি টাকার? ডেসটিনি , ফার্মার্স ব্যাংক, হলমার্ক, সোনা থেকে তামা ........

    • image

      নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

      ০৮ ডিসেম্বর, ২০১৮

      দলকানা দাদা গত ১০ বছরে কিন্তু লুটপাটের রেকর্ড ভেংগেছে জানেন কিছু!!?

    • image

      Imran Qatar

      ০৮ ডিসেম্বর, ২০১৮

      হ্যা শুধু আওয়ামীলীগেরই লুটার অধিকার আছে। এজন্য বিএনপিকে আসতে দেয়া হবে না। কারণ বিএনপি এলে দেশে লুটপাট বন্ধ হয়ে যাবে।

    • image

      নাসিম

      ০৮ ডিসেম্বর, ২০১৮

      বিএনপি কে তো নির্বাচন থেকে দুরে রাখার প্রাণান্তকর চেষ্টা করছেনই, আর এক একজন শত চারশ গুন কামাবে, বাধা দেয়ার কেউ থাকবে না

    • image

      এস দেওয়ান

      ০৯ ডিসেম্বর, ২০১৮

      আপনাদের সবার প্রশ্নের উত্তরে বলছি- বিএনপির আমলে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা আর এই সরকারের আমলের অর্থনৈতিক অবস্থার হিসেব লাগান তার সত্যের ভিত্তিতে কথা বলুন । আপনারা জানেন শুধু মিথ্যাচার আর অপপ্রচার করতে । এই জন্য আপনারা ব্যর্থ হন । বর্তমান যুগে ইন্টারনেটের মাধ্যমে দেশের মানুষ সারা পৃথিবী চষে বেড়ায় । অতএব, যত বেশি মিথ্যাচার করবেন ততই আপনারা মানুষের কাছে গ্রহন যোগ্যতা হারাবেন ।

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ০৮ ডিসেম্বর, ২০১৮

    বিএনপি অত্তান্ত সফল ভাবেই আওয়ামীলীগের কিছু এক্স এবং মেরুদণ্ডহীন নেতাকে ক্ষমতার লোভ দেখিয়ে তাদের পতাকা তলে নিয়ে আসছে ।

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ০৮ ডিসেম্বর, ২০১৮

    ফখরুদ্দিন সরকারের আমলে আওয়ামী লীগ বিএনপির ব হু নেতদের নামে মামলা হয়েছিল। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার ফলে তাদের মামলাগুলো উঠিয়ে নিয়েছিল এবং বিএনপির মামলাগুলো জিইয়ে রেখেছিল। তা অবশ্যই রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের জন্য। বিএনপির যেসব ডাকসাইটে নেতারা নমিনেশন পান নি তাদের না পাবার কারণ ঐ মামলাগুলোই।

  • image

    mohammad ali

    ০৮ ডিসেম্বর, ২০১৮

    ক্ষমতা যদি কোন কারনে হাত ফসকে যায় তাহলে আঃমিলীগের নিজেদের হাতে গড়া বিরুধীজোটের "মনোনয়নপত্র খেকো" এ আইন একদিন সিন্দাবাদের ভূতের মত তাদের ঘাড়ের উপর যে চেপে বসবেনা সে নিশ্চয়তা কে দিতে পারে ?????

  • image

    Imran Qatar

    ০৮ ডিসেম্বর, ২০১৮

    বিএনপির অনেক নেতাদের মনে পাওয়া না পাওয়া নিয়ে বিভিন্ন ধরনের ক্ষোভ আছে। এক তো নেত্রী নেই। মহাসচিব দলকে চালাচ্ছেন। তারপরেও দলে যে একতা বজায় আছে সেটা সত্যি অনেক ভালো লাগার বিষয়। আওয়ামীলীগ দশ বছর ক্ষমতায় থেকেও তাদের দলে কোন একতা নেই। কেন্দ্রীয় নেতা পর্যন্ত ভেগে যাচ্ছেন। এক্ষেত্রে বিএনপি উইন। স্বার্থহীন রাজনীতিকরাই বিএনপি করে।

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ০৮ ডিসেম্বর, ২০১৮

    যেখানে দলের মুল কান্ডারী ষড়যন্ত্রের স্বীকার হয়ে নির্বাচনের বাইরে, নির্বাচনটাও ওনারা আন্দোলনের অংশ হিসেবেই নিয়েছেন তাই নীতি নির্ধারক হিসেবে ওনারা নির্বাচন না করে দলিয় সিদ্ধান্তে কৌশল হতে পারে!

সব মন্তব্য