এলাকা ছাড়লেন বিএনপির প্রার্থী হান্নান

প্রতিনিধি, চাঁদপুর ১২ ডিসেম্বর, ২০১৮

বিএনপিচাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনে বিএনপির প্রার্থী এম এ হান্নান পুলিশের ভয়ে মঙ্গলবার এলাকা ছেড়ে চলে গেছেন। এর আগে তিনি জেলা শহরের হাজী মুহসীন সড়কে হান্নান কমপ্লেক্সে সংবাদ সম্মেলন করেন। সেখানে তিনি বলেন, ‘ফরিদগঞ্জে এভাবে নির্বাচন করা সম্ভব নয়। এ জন্য এলাকা ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

সংবাদ সম্মেলনের পর এম এ হান্নান এলাকা ছেড়ে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন। বিকেলে মুঠোফোনে তিনি প্রথম আলোকে বলেন, তিনি এখন গাড়িতে ঢাকার পথে রয়েছেন। ফরিদগঞ্জে আওয়ামী লীগ নয়, পুলিশই বিএনপির প্রতিপক্ষ।

হান্নান প্রথম আলোকে আরও বলেন, গত সোমবার বিকেলে পুলিশ বিএনপির মিছিলে অতর্কিত হামলা চালায়। এতে তাঁদের ১৫ থেকে ২০ জন নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় পুলিশ প্রায় এক হাজার নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করে। রাতেই তাঁদের ১৯ জন নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

জানতে চাইলে ফরিদগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরীফ মো. ইউনুস সংবাদ সম্মেলনের কথা স্বীকার করে জানান, সোমবারের ঘটনার পর বিএনপির সবাই পলাতক রয়েছেন। পুলিশের ভয়ে কেউই এলাকায় উঠতে পারছেন না। হান্নান সাহেবও ঢাকায় চলে গেছেন।

বিএনপির গ্রেপ্তার হওয়া নেতা-কর্মীদের মধ্যে রয়েছেন আরিফ পাটওয়ারী (৪৩), ইমান হোসেন (১৮), ইয়াছিন শেখ (৩৫), সিরাজুল ইসলাম (৩৬), হারুনুর রশিদ (৫৯), কাজী ওসমান গণি (৩৫), মো. রানা (৪৩), নুরুউদ্দিন (১৯), মো. রাসেল (২৬), মো. শাহীন (২৬), জসিম উদ্দিন (২৪), হেলাল উদ্দিন (২২), বেলাল হোসেন (২৪), আবদুল হক (২৪), রুবেল গাজী (২৬), আশরাফ আলী (২৩), মহিবুল্ল্যাহ (২৩), আবু মুসা (২২), আ. কাদের (৫৫) প্রমুখ।

জানতে চাইলে ফরিদগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুনুর রশিদ চৌধুরী বলেন, নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে বিএনপির প্রার্থী এম এ হান্নান সোমবার শোডাউনের উদ্দেশ্যে মিছিল বের করেন। মিছিলটি থানার কাছাকাছি ফরিদগঞ্জ মধ্য বাজারে এলে কর্তব্যরত পুলিশের ওপর এম এ হান্নানের নেতৃত্বে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয়। এতে চার পুলিশ কর্মকর্তা গুরুতর আহত হন। এ ঘটনায় রাতেই উপপরিদর্শক (এসআই) আবুল কালাম আজাদ পুলিশের ওপর হামলা ও হত্যাচেষ্টার ঘটনায় ২৫০ জনের নামোল্লেখ করে আরও ৫০০ অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করে থানায় মামলা করেছেন। তাঁদের মধ্যে এ পর্যন্ত ১৯ জনকে আটক করা হয়েছে। বাকিদের ধরার চেষ্টা চলছে।

মন্তব্য

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ১২ ডিসেম্বর, ২০১৮

    সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কি আদৌ সম্ভব।

  • image

    Alimul Karim

    ১২ ডিসেম্বর, ২০১৮

    ছি!! ছি!! পুলিশের এমন ভূমিকায় ধিক্কার জানাই। এই জুলুম-অত্যাচারের বিচার একদিন হবে ইনশাআল্লাহ।

  • image

    sayed kutub

    ১২ ডিসেম্বর, ২০১৮

    পুলিশ সরকারের এজেন্ডা বাস্তবায়নে মাঠে নেমেছে। নির্বাচনের আগে বিরোধিদল মাঠে টিকতে পারবে বলে মনে হচ্ছে না! সরকারি দল আবার ফাঁকা মাঠে গোল দেওয়ার জন্য পুলিশকে ব্যবহার করছে।

  • image

    anwar parvez

    ১২ ডিসেম্বর, ২০১৮

    Verry nice police

  • image

    Muhammad jahid

    ১২ ডিসেম্বর, ২০১৮

    বিশাল বিশাল মিছিল বের হচ্ছে নির্বাচনী। পত্রিকায় হেডিং হচ্ছে “শুরু হলো প্রচারযুদ্ধ”, কিন্তু সত্যিই কী এটা প্রতিডক্ষ নিয়ে যুদ্ধ? নাকি খালি মাছে শুধুই একদল? বিএনপি-জামাত বাদ দিলাম, স্বতন্ত্রদের কারো পোস্টার ও কী টানাতে দেয়া হয়েছে? গতকাল বামপন্থিদের একজন তো তবু নিউজ হলেন যে উনাকে প্রচার করতে দেয়া হচ্ছে না, কিন্তু এই একই পরিবেশ তো সারাদেশে। কাউকে প্রচার করতে দিবেন না, মিছিল করতে দিবেন না, গণতন্ত্র কায়েম করে উন্নয়নের জোয়ারে ডুবায়ে ফেলতেছেন সব। কেনো এই নির্বাচনী নাটক? না করলেই তো হয়।

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ১২ ডিসেম্বর, ২০১৮

    Why don't resist the Bakshali Police , Rise up !! Fight back .

  • image

    Z.Rahman

    ১২ ডিসেম্বর, ২০১৮

    : ( is it Democracy ??

  • image

    আন্দালিব প্রেতত্মা ২

    ১২ ডিসেম্বর, ২০১৮

    আজ নির্লজ্জতার শীর্ষে পৌঁছে গেছে বাংলাদেশ পুলিশ নামক আওয়ামী সন্ত্রাসীরা

  • image

    Azizul Hoque

    ১২ ডিসেম্বর, ২০১৮

    শেষ মিনিট পর্যন্ত নির্বাচনে থাকতে হবে। ইতিহাস সাক্ষী বাড়াবাড়ির পরিনাম কখনো শুভ হয়না। বাংলাদেশের শান্তিপ্রিয় মানুষ সবকিছু নিরবে অবলোকন করে যাচ্ছে। কথায় আছে, আল্লাহর মাইর দুনিয়ার বাইর তেমনি পাবলিকের মাইর দেশের বাইর!! মাটি কামড়ে পড়ে থাকেন , জনগণ এর রায়ে ৩০ তারিখে এসব দুর্বৃত্তরা এমনিতেই দেশের বাইরে চলে যাবে।

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ১২ ডিসেম্বর, ২০১৮

    একারনেই মহাজোটের শরিকদের এত প্রার্থী রেখেছে। বিএনপি কে তাঁরা নির্বাচন করতে দেবে না।

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ১২ ডিসেম্বর, ২০১৮

    Police force are doing works as Awamil league agent not serve of people.

  • image

    Moazzma H

    ১২ ডিসেম্বর, ২০১৮

    সংবাদের হেড-লাইনটা এমন বসুনিস্ট হলে কেমন হয় ? "কর্তব্যরত পুলিশের ওপর প্রার্থীর নেতৃত্বে ইটপাটকেল নিক্ষেপের্ কারণে গ্রেপ্তারের এড়াতে এলাকা ছাড়লেন বিএনপির প্রার্থী হান্নান ।" আসল ঘটনা হলো: নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে বিএনপির প্রার্থী এম এ হান্নান সোমবার শোডাউনের উদ্দেশ্যে মিছিল বের করেন। মিছিলটি থানার কাছাকাছি ফরিদগঞ্জ মধ্য বাজারে এলে কর্তব্যরত পুলিশের ওপর এম এ হান্নানের নেতৃত্বে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয়। এই আক্রমণে চার পুলিশ কর্মকর্তা গুরুতর আহত হন।

    • image

      Saifur Rahman

      ১২ ডিসেম্বর, ২০১৮

      আপনি কি ঘটনাস্থলে ছিলেন যে "আসল" ঘটনা জেনে বসে আছেন? জনগনকে এত বোকা ভাবেন কেন?

  • image

    আমি

    ১২ ডিসেম্বর, ২০১৮

    কি নিষ্ঠুর আচরণ। পুলিশ কে দিয়ে এই নিরবাচন করলে ৩০ ডিসেম্বর পরযন্ত কোন নেতা করমীই খুজে পাওয়া যাবে নাহ।

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ১২ ডিসেম্বর, ২০১৮

    উনিতো এলাকা ছেড়েছেন, আমার তো মন্তব্য করতেই ভয় লাগছে, পুলিশে না ধরে.............

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ১২ ডিসেম্বর, ২০১৮

    পুলিশ হল আওয়ামীলীগ এর অঙ্গ সংগঠন। এই সরকারের আমলে নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ১২ ডিসেম্বর, ২০১৮

    চালিয়ে যাও...

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ১২ ডিসেম্বর, ২০১৮

    ফরিদপুর এবং নোয়াখালীতে ২ জন আওয়ামীগ কর্মী নিহত হয়েছে আর প্রথম পড়লে মনে হয় বিএনপিকে কোথায় প্রচারণায় নামতে দেয়া হচ্ছে না। হায়রে প্রথম আলো তোর জন্ম থেকে এত ভালোবাসলাম আর তুই জাতীর সাথে এমন প্রতারণায় মজে আছিস।

    • image

      নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

      ১২ ডিসেম্বর, ২০১৮

      নিজেদের মাঝে অন্তর্কোন্দলে এ যাবৎ কতজন লীগের কর্মী মারা গেছে তারও পরিসংখ্যানটা দিন

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ১২ ডিসেম্বর, ২০১৮

    সংবাদের হেড-লাইনটা এমন বসুনিস্ট হলে কেমন হয় ? "কর্তব্যরত পুলিশের ওপর প্রার্থীর নেতৃত্বে ইটপাটকেল নিক্ষেপের্ কারণে গ্রেপ্তারের এড়াতে এলাকা ছাড়লেন বিএনপির প্রার্থী হান্নান ।" আসল ঘটনা হলো: নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে বিএনপির প্রার্থী এম এ হান্নান সোমবার শোডাউনের উদ্দেশ্যে মিছিল বের করেন। মিছিলটি থানার কাছাকাছি ফরিদগঞ্জ মধ্য বাজারে এলে কর্তব্যরত পুলিশের ওপর এম এ হান্নানের নেতৃত্বে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয়। এই আক্রমণে চার পুলিশ কর্মকর্তা গুরুতর আহত হন।

    • image

      Himu

      ১২ ডিসেম্বর, ২০১৮

      আপনি যা লিখেছেন তা আপনি বিশ্বাস করলেও দেশবাসি বিশ্বাস করেনা।

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ১২ ডিসেম্বর, ২০১৮

    নির্বাচনের উৎসব হচ্ছে চ‍্যানেল সমূহের টক শোতে, মাঠের সত‍্যিকার চিত্র হলো এ নিউজটি। আকাশের যত তারা বাংলাদেশ পুলিশের আইনের তত ধারা। ধারার বাহিরৈ গায়েবি মামলাতো আছেই। ভোট ভণ্ডামি বন্ধ হোক।

  • image

    Saifur Rahman

    ১২ ডিসেম্বর, ২০১৮

    এর পরও কোন বিবেকবান মানুষ কি উন্নয়নের নামে দুঃশাসনের পক্ষে ভোট দিতে পারে?

    • image

      নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

      ১২ ডিসেম্বর, ২০১৮

      সেই সুযোগ আওয়ামী লীগ জনগনকে দিতে ভয় পাচ্ছে।

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ১২ ডিসেম্বর, ২০১৮

    এভা্বেই হবে সুষ্ট নির্বাচন,

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ১২ ডিসেম্বর, ২০১৮

    নির্বাচন কমিশন এর এই বিষয়ের প্রতি নজর দেয়া উচিত

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ১২ ডিসেম্বর, ২০১৮

    পুলিশের এমন নগ্ন বাড়াবাড়ি সাধারণ মানুষের মনে এক ধরনের চাপা ক্ষোভের সৃষ্টি করবে যার ফলাফল হবে ভয়াবহ, ঠিক এই কারণেই আমাদের দেশে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের চিত্র কখনই গণতান্ত্রিক পরিবেশ হতে পারে না।

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ১২ ডিসেম্বর, ২০১৮

    THIS Real Police of BD

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ১২ ডিসেম্বর, ২০১৮

    পুলিশের এমন অতিউৎসাহি আচরণ বাংলাদেশকে সামনে এগিয়ে যাওয়ার পথে বড় বাঁধা হয়ে দেখা দিচ্ছে।

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ১২ ডিসেম্বর, ২০১৮

    পুলিশের আচরণ সমন্ধে দেশবাসি জানে। তারপরও আপনাকে বলতে হচ্ছে মাঠে যখন থাকতেই পারবেননা তাহলে নির্বাচন করতে গেলেন কেন? যেহেতু গিয়েছেন, তাই শেষ পর্যন্ত থাকুন।

  • image

    Shah Newaz

    ১২ ডিসেম্বর, ২০১৮

    পু‌লিশ‌কে নষ্ট ক‌রে ফে‌লে‌ছে।

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ১২ ডিসেম্বর, ২০১৮

    আওয়ামি লীগ খূব ভালো করে জানে ক্ষমতায় ফিরে না আসতে পারলে তাদের অবস্থা কি হবে? বেগম জিয়াও জানতেন ২০০৬ সালে সেই জন্য চিন্তায় থেকে বাড়াবাড়ি করেছিলেন। ফলাফল সবাই জানে। দেশের জন গন অপেক্ষা করছে কোথায় শেষ?

  • image

    James

    ১২ ডিসেম্বর, ২০১৮

    ফেয়ার ইলেকশন 👏👏👏

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ১২ ডিসেম্বর, ২০১৮

    চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনে বিএনপির প্রার্থী এম এ হান্নান এর এলাকা ত্যাগ করা কোন ক্রমেই গ্রহণযোগ্য নয়। পুলিশ শুধু হয়রানি করছে না সম্ভব সব কিছু করছে ক্ষমতাসীনদের পক্ষ নিয়ে। জনাব হান্নানের উচিত হবে বিএনপির তথা ঐক্যজোটের নেতা কর্মী সবাই কে নিয়ে থানায় যাওয়া। দেখুক কত জন কে গ্রেফতার করতে পারে।

  • image

    Md. Asraful Alam

    ১২ ডিসেম্বর, ২০১৮

    প্রতিটি আসনের ঐক্য ফ্রন্টের সকল নেতা কর্মীদের উচিত একজনকে গ্রেফতার করলে সকল নেতা কর্মীদের নিয়ে থানায় হাজির হয়ে আন্দলন করা হয় সবাইকে আটক করুক নয়তো আটক কৃত কে ছেড়ে দিক!!!

সব মন্তব্য