মারো, কাটো মাঠ ছাড়ব না

প্রতিনিধি, চাঁদপুর ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৮

চাঁদপুরে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীদের নিয়ে গতকাল মতবিনিময় সভা হয়। বিকেলে চাঁদপুর প্রেসক্লাবে।  প্রথম আলোচাঁদপুরে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীদের নিয়ে গতকাল শুক্রবার সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা হয়েছে। বিকেলে চাঁদপুর প্রেসক্লাবের মিলনায়তনে এ সভা হয়। সেখানে বক্তারা বলেন, তাঁদের মারা-কাটা যা-ই হোক, ভোটের মাঠ ছাড়বেন না। শেষ পর্যন্ত থাকবেন।

জেলা ঐক্যফ্রন্টের নেতারা ওই সভার আয়োজন করেন। মতবিনিময়ের শুরুতে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ও মহান মুক্তিযুদ্ধে হতাহতসহ সব বীরের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। সভায় চাঁদপুর-১ আসনের প্রার্থী মোশারফ হোসেন ও চাঁদপুর–৫ আসনের প্রার্থী মমিনুল হক উপস্থিত ছিলেন না।

ঐক্যফ্রন্টের জেলা আহ্বায়ক সফিউদ্দিন আহমেদ সভায় সভাপতিত্ব করেন। তিনি বলেন, ‘আমরা হিংসাত্মক রাজনীতি চাই না। চাই দেশের মানুষ যাতে নিশ্চিন্তে ও নিরাপদে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারেন। জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত করতে পারেন। আমাদের মারো-কাটো যা-ই করো, নির্বাচনের মাঠ ছাড়ব না।’

চাঁদপুর-২ আসনের প্রার্থী জালাল উদ্দিন বলেন, ‘আগামী তিন দিনের মধ্যে যদি সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করা না হয়, তবে আমি জনগণকে সঙ্গে নিয়ে কঠোর আন্দোলনের ডাক দেব।’

চাঁদপুর-৩ আসনের প্রার্থী শেখ ফরিদ আহমেদ বলেন, ‘আচরণবিধি লঙ্ঘন করে আওয়ামী লীগের নৌকার বড় বড় ব্যানার ও তোরণ করা হচ্ছে। অপরদিকে আমাদের পোস্টার-ব্যানার লাগাতে গেলে বাধা দেওয়া হচ্ছে। বিষয়টি প্রশাসনকে জানিয়েছি, কিন্তু তারা কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। আমাদের নেতা-কর্মীদের মোটরসাইকেল আটকে দেওয়া হচ্ছে। নেতা-কর্মীদের মারধর করা হচ্ছে।’

চাঁদপুর-৪ আসনের প্রার্থী এম এ হান্নান বলেন, ‘প্রতীক বরাদ্দ দেওয়ার পর সব প্রার্থী আনন্দ মিছিল করে এলাকায় গিয়েছেন। কিন্তু চাঁদপুরে আমরা তা পারি নাই। আমার নির্বাচনী এলাকায় আনন্দ মিছিল করার সময় পুলিশ হামলা করেছে।’

মন্তব্য

  • image

    Khurram Sajid

    ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৮

    "শান্তির ললিত বাণী শোনাইবে ব্যর্থ পরিহাস।" কারণ এখন চলছে "জোর যার মুল্লুক তার" নীতি। কাজেই জিততে হলে রাষ্ট্রীয় ও শাসকদলের সন্ত্রাসের ওপরে জনতার আধিপত্য কায়েম করতে হবে।

  • image

    Rafiq Khan

    ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৮

    মারো, কাটো মাঠ ছাড়ব না !!!! সাবাস !!! মাঠ ছাড়া যাবেনা ।

  • image

    S. M. Abdul Haque

    ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৮

    ২০০১ থেকে ২০০৬ এর কথা মনে পড়ে নাকি।

  • image

    Mohammad Shawkut Hossain

    ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৮

    'এরা নিজেরাই নিজেদের মারছে জনগণের সিম্পেথি পাওয়ার জন্য', কথাটি কি আসলেই সত্যই !!!!!!

  • image

    mahamud

    ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৮

    Don't spend your energy until December 30.

  • image

    mr humayun kabir

    ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৮

    pls keep going.

সব মন্তব্য