ইভিএমের ‘কাজ দেখাতে’ কেনা ৪৬ কোটি টাকার ট্যাবও ব্যর্থ!

হারুন আল রশীদ, ঢাকা ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ভালোভাবে কাজ করেনি। উপজেলা নির্বাচনে এই যন্ত্রটির সক্ষমতা বাড়াতে নির্বাচন কমিশন (ইসি) প্রায় ৪৬ কোটি টাকা ব্যয়ে ৪২ হাজার ২০০ ট্যাব কিনেছে। কিন্তু ট্যাবও কাজ দেখাতে ব্যর্থ হয়েছে।

গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনে ইভিএমে ছয়টি আসনে ভোট নেওয়া হয়। কিন্তু সে সময় এই যন্ত্র নিয়ে নানা সমস্যা সামনে আসে। অল্প সময়ের মধ্যে ভোটের ফলাফল জানা যাবে বলা হলেও সেটিও সম্ভব হয়নি।

সম্প্রতি চারটি ধাপে উপজেলা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। তৃতীয় ধাপের নির্বাচনে দুটি উপজেলার ইভিএমে নেওয়া ভোটের তথ্য দ্রুত পাঠানোর জন্য সেখানে দায়িত্ব পালনরত নির্বাচন কর্মকর্তাদের ট্যাব দেওয়া হয়। কিন্তু প্রত্যাশাকে ভুল প্রমাণ করে সেই ট্যাব ইসির কাছে ভোটের ভুল তথ্য পাঠিয়েছে। ট্যাবের ভুতুড়ে এই আচরণ থেকে রক্ষা পেতে শেষ পর্যন্ত উপজেলার চতুর্থ ধাপের নির্বাচনে এই যন্ত্রটি আর ব্যবহার করা হয়নি। ভবিষ্যতে এই যন্ত্রটি আর কোনো নির্বাচনে ব্যবহার করা হবে কি না তা নিয়েও সন্দেহ আছে। যে কারণে খোদ ইসিতে এখন আলোচনা, ৪৬ কোটি টাকা অপচয় করে কেন এই যন্ত্র কেনা হয়েছে। তবে যন্ত্রটি কেনার সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তারা আশাবাদী, ভবিষ্যতে ট্যাবগুলো কাজে লাগবে।

গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে ইসি দেড় লাখ ইভিএম কেনার জন্য ৩ হাজার ৮২১ কোটি টাকার প্রকল্প গ্রহণ করে। সরকারের কাছ থেকে টাকা না পাওয়ায় তারা এখন পর্যন্ত সব ইভিএম কিনতে পারেনি। তবে ইসি সংসদ নির্বাচনের আগেই অনেকটা তড়িঘড়ি করে কিছু ইভিএম কিনে নেয়। বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি এসব ইভিএম সরবরাহ করে। বিএনপিসহ সব বিরোধী দল সংসদ নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের বিরোধিতা করে। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকেও ইভিএম ব্যবহারের বিষয়ে তেমন কোনো আগ্রহ দেখানো হয়নি। শেষ পর্যন্ত সব দিকের রাজনৈতিক চাপ উপেক্ষা করেই ইসি ঢাকা-৬, ঢাকা-১৩, চট্টগ্রাম-৯, খুলনা-২, রংপুর-৩ ও সাতক্ষীরা-২ আসনে ইভিএম ব্যবহার করা হয়।

ইভিএমের গুণাবলি সম্পর্কে ইসি থেকে বারবার বলা হয়েছে, এই যন্ত্র ব্যবহার করা হলে জাল ভোট হবে না এবং ভোটের ফল বদলানো সম্ভব হবে না। এ ছাড়া নির্বাচনের ফল দ্রুততম সময়ের মধ্যে পাওয়া যাবে। কিন্তু ৩০ ডিসেম্বর ভোট গ্রহণ শেষে রাতে দেখা যায়, ইভিএমের ফল সবার পরে এসেছে এবং সংশ্লিষ্ট আসনগুলোর ফলও ঘোষণা করা হয়েছে প্রায় সবার শেষে। জানা যায়, যন্ত্র বিকল হয়ে পড়ায় অনেক জায়গায় ভোট গ্রহণ শুরু করা হয় দুপুরের পর। অনেক জায়গায় যথাসময়ে ভোট গ্রহণ শুরু করা হলেও যন্ত্রটি মাঝপথে বিগড়ে যায়।

এই সমস্যাগুলো বিবেচনায় নিয়েই ইসি ৪২ হাজার ২০০ ট্যাব কেনার সিদ্ধান্ত নেয়। এ জন্য চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারি কম্পিউটার সার্ভিসেস লিমিটেড নামের একটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এসব ট্যাব কেনার চুক্তি হয়। চুক্তি অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটি ইতিমধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ট্যাব ইসিতে সরবরাহ করেছে। সিদ্ধান্ত হয়, যেসব এলাকায় ইভিএম ব্যবহার হবে সেখানে প্রিসাইডিং কর্মকর্তারা এই ট্যাব ব্যবহার করবেন এবং কেন্দ্রের ফল দ্রুত সন্নিবেশ করে তা ট্যাবের মাধ্যমে রিটার্নিং কর্মকর্তা এবং ইসি সচিবালয়ে পাঠাবেন।

কিন্তু ইসি কোনো ধরনের পরীক্ষামূলক প্রকল্প গ্রহণ না করেই ২৪ মার্চ উপজেলা নির্বাচনের তৃতীয় ধাপে গোপালগঞ্জ সদর ও মানিকগঞ্জ সদর উপজেলায় ইভিএমের সঙ্গে ট্যাব সরবরাহ করে। ইসি সচিবালয় সূত্র জানায়, রিটার্নিং কর্মকর্তা নির্বাচনের ফল সংগ্রহ করতে গিয়ে দেখেন, ট্যাবের মাধ্যমে পাঠানো ফল ভুল। শেষ পর্যন্ত ট্যাবের মাধ্যমে পাঠানো তথ্য বাতিল করে পুরোনো পদ্ধতিতে ফল সংগ্রহ করা হয়। যে কারণে এই দুটি উপজেলার ফল ঘোষণা করতে বিলম্ব হয়।

এই ঘটনার পর ইসি ৩১ মার্চ অনুষ্ঠিত চতুর্থ ধাপের নির্বাচনে ট্যাবের ব্যবহার বাতিল করে। ২৮ মার্চ ইসি সচিবালয়ের এক চিঠির মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত মাঠ প্রশাসনকে জানানো হয়। আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এই ধাপে ময়মনসিংহ সদর, পটুয়াখালী সদর, বাগেরহাট সদর, কক্সবাজার সদর, ফেনী সদর ও মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলায় ইভিএমের সঙ্গে ট্যাব ব্যবহার করার কথা ছিল।

ইসি সচিবালয়ের কর্মকর্তাদের কারও কারও মতে, ট্যাব ব্যবহারের আগে পরীক্ষামূলক প্রকল্প গ্রহণ করার প্রয়োজন ছিল। প্রয়োজন ছিল সংশ্লিষ্ট প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণেরও। কিন্তু ইসি থেকে এসবের কিছুই না করে অপরিকল্পিতভাবে ট্যাব কেনা হয়েছে। ইভিএমের বিষয়ে উৎসাহী কিছু কর্মকর্তা যন্ত্রটির সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য রাতারাতি ট্যাব কিনে তা মাঠ পর্যায়ে সরবরাহ করে।

কর্মকর্তাদের আরেকটি অংশের মতে, সব ভোট গ্রহণ কর্মকর্তা ভুল করতে পারেন না। ট্যাবের মধ্যেও সমস্যা আছে। ট্যাবটি দুই অঙ্কের হিসাব সঠিকভাবে সরবরাহ করে, তিন অঙ্কের হলেই হিসাব ভুলভাবে আসতে থাকে।

জানতে চাইলে কম্পিউটার সার্ভিসেস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মামলুক সাবির আহমেদ এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান।

নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ট্যাব ব্যবহারের আগে যাঁরা এটি চালাবেন, তাঁদের প্রশিক্ষণের দরকার আছে। সেটা যথাযথভাবে করা হয়নি বলেই ফল পাওয়া যায়নি। তবে ভবিষ্যতে অবশ্যই এটি ব্যবহার করা যাবে।

মন্তব্য

  • image

    Asif Shahriyar

    ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

    এজন্যেই গুরুজনেরা,বলেন, ভাবিয়া করিও কাজ,করিয়া ভাবিও না।

  • image

    রাজিব

    ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

    আমি আমার ট্যাক্সের টাকার হিসাব চাই।

  • image

    বিবেক

    ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

    এই ট্যাবই হয়তো পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দিতে চেয়েছেন!

    • image

      নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

      ০৮ এপ্রিল, ২০১৯

      এর আগে ৩০০ কোটি টাকার ইভিএম কিনেছিল ২২০০ কোটিতে!!!

  • image

    Mohammad Shawkut Hossain

    ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

    যে দিকে তাকাই চারি দিকে শুধু ডাকাত আর ছিনতাই !!! কেউ অস্র দিয়ে করে, কেউ কলম দিয়ে করে তবে এখন ৯৯% ডাকাত আর ছিন্তাইকারী কলম দিয়েই ডাকাতি আর ছিনতাই করে। বঙ্গবন্ধুর পাওয়া চোরের খনি এখন ডাকাত আর ছিনতাইকারীদের খনিতে পরিনত হয়েছে।

  • image

    Shameer Ahmed

    ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

    সরকারী মাল দরিয়া মে ঢাল ।

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

    ভোটের নামে জাস্ট লুটপাট হচ্ছে এ দেশে।

  • image

    আনাস

    ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

    প্রশাসনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে বি এন পি জামাত। সরকারের গৃহীত সকল শুভ উদ্যগ ব্যর্থ করে দিতে এরা সব করতে পারে।

    • image

      নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

      ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

      প্রশাসনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে বিএনপি, জামাত থাকলে কি আর রাতের ভোটে আপনারা জেতেন? ওরাই জিতত।

    • image

      নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

      ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

      ..... আর দলকানা উন্মাদ নাকি!

    • image

      নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

      ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

      প্রশাসনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে বি এন পি জামাত এমন ভাবে ঢুকছে যে,আপনার এবং আপনার সরকারের গুনকীর্তন যাহাই করিনা কেন।ভয়ে কমেন্টস বক্সে নিজের নামটাও প্রকাশ করার সাহস হয়না ! প্রথম আলোকে 'ধন্যবাদ' এমন একটি অপশন রাখার জন্য।নইলে,আরো কত আগে আমার মতো অপদার্থ ঘুমের খাতায় চলে যেতো ! ডিজিটাল আইন বলে কথা !

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

    যে উদ্দেশ্যে কেনা হয়েছিল সেটা পরিপূর্ণভাবে সফল৷

  • image

    Monir Hossain

    ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

    মন্তব্য করে কি কোনো লাভ আছে, পকেট যাদের ভারী করার দরকার ছিল তারাতো পকেট ভরেই নিয়েছে....

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

    জনগণের টাকার শ্রাদ্ধ করা ছারা ইলেকশন কমিশন আর কিই বা করতে পারে।

  • image

    Mahbubur Rahman

    ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

    এগুলো কাজের জন্য কেনা হয়নি। জনগনের টাকা তসরুপের জন্য কেনা হয়েছে।

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

    গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনে ভোট্ 29 ডিসেম্বর রাতে করা হয়েছে । ট্যাবটি কেনার প্রয়োজন কি?

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

    উন্নয়ন আর ডিজিটাল বাংলাদেশের নামে শেখ হাসিনা রাষ্ট্রের যে পরিমান টাকার অপচয় করেছে, তাকে না হোক, একদিন না একদিন তার নাতি পুতিকে হলেও সেই টাকার জন্য জবাবদীহি করতে হবে। ট্যব গুলো স্কুলের শিক্খার্থীদের দিয়ে দেয়া হোক।

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

    যন্ত্র বিকল হয়ে পড়ায় অনেক জায়গায় ভোট গ্রহণ শুরু করা হয় দুপুরের পর। অনেক জায়গায় যথাসময়ে ভোট গ্রহণ শুরু করা হলেও যন্ত্রটি মাঝপথে বিগড়ে যায়। উৎসাহী কিছু কর্মকর্তা যন্ত্রটির সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য রাতারাতি ট্যাব কিনে তা মাঠ পর্যায়ে সরবরাহ করে ট্যাবের মাধ্যমে পাঠানো ফল ভুল এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান। অপরিকল্পিতভাবে ট্যাব কেনা হয়েছে............... ................. !!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!

  • image

    hachanul islam islam (মনির খান)

    ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

    সব .... দল

  • image

    syed foysal hossen

    ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

    সে ক্ষেত্রে আপনাদের 46 হাজার কোটি টাকার বাজেট নিশ্চয়ই লাগবে।

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

    আমাদের কষ্টের টাকার এমন শ্রাদ্ধ, কারো কাছে বিচার দেওয়ার নেই। প্রতি মাসে স্যালারি থেকে যখন ৭০০০ টাকা নিয়ে নেয় সরকার তারপর সেই অর্থের এমন যথেচ্ছ ব্যবহার দেখলে বুকে বড় ব্যাথা হয়।

    • image

      নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

      ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

      আপনার টাকা থেকেই আপনাকে পেনশন দিবে তাই কেটে রাখছে।

  • image

    NAhmed

    ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

    এমন নির্বাচন কমিশন লইয়া দেশের মানুষ কি করিবে? সরকারের এমন নির্বাচন কমিশনের প্রয়োজনীয়তা রহিয়াছে কিন্তু জনগণের না.

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

    এভাবে দূর্নীতি চলতে থাকলে ৮% জিডিপি বদলে অর্থনৈতিক বিপর্যয়ে রূপ নিতে খুব বেশি সময় লাগবেনা।

    • image

      নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

      ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

      ইভিএম মেশিন আর ট্যাবতো ৫ বছর পর পর গোডাউন থেকে বের হবে (কা্জ হউক বা না হউক) জিডিপিতে কোন ভুমিকা রাখবেনা

    • image

      নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

      ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

      ভাই, জিডিপি অবস্যই বাড়বে। যত খরচ তত জিডিপি,

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

    গরিব দেশের মানুষের টাকার অপচয় ছাড়া কিছুই না

  • image

    সা মো মছিহ্ রানা

    ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

    একদিকে দেশের বৃহত্তম সীমিত আয়ের মানুষের স্বার্থ পদে পদে জলাঞ্জলী অন্যদিকে জনগণকে ধোকা দিতে রাষ্ট্রের কোটি কোটি টাকা অপব্যয়!! লুকোচুরি খেলা আর নয়।

  • image

    Arif Islam

    ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

    কোন সমস্যা নাই। সোফিয়া আছে না।

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

    দুই নাম্বার ট্যাব কিনে জনগণের টাকা হরিলুটের প্রকল্প।

  • image

    Md. Harun Ur Rashid

    ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

    ইভিএম এ কাজ হয়েছে কিনা সেটা বিষয় না। সবাই ঠিকমত কমিশন পাইছে কিনা সেটাই আসল কথা। সরকার কা মাল ধরিয়ামে ডাল

  • image

    Md. Harun Ur Rashid

    ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

    ই ভি এম এর বাংলাদেশে অর্থ হল economy voucher manage EVM

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

    খাও, লুটে পুটে খাও !

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

    জনগনের এই ৪৬ কোটি টাকা নষ্ট করার জন্য দায়ী ব্যক্তিকে খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনা হউক।

    • image

      নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

      ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

      দুকোটি টাকার জন্য এদেশের বড় দলের নেত্রী জেল খাটছেন।

    • image

      নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

      ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

      এটা দিয়ে ৪৬ জন মেধাবীর কর্মসংস্থান হইত।

  • image

    FaruQue Khan

    ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

    সস্তা দামের ট্যাব দিয়ে কি আর এ কাজ হয়? ৪৬ কোটি ট্যাকার ট্যাব

    • image

      Jahid

      ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

      সস্তা ট্যাব??? প্রতিটা ট্যাব ১১০০০ টাকার মতো পরেছে, আপনি কি ৩০-৪০ হাজার টাকার ট্যাব দিতে বলছেন?

  • image

    Newaz Ahed

    ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

    হায়রে আমাদের সোনার বাংলাদেশ তুমি কার খপ্পরে পড়ছ?

  • image

    Z.Rahman

    ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

    সব ই ব্যার্থ শুধু তার জন্য বাজেট করা টাকাটা হাওয়া হয়ে যায় !! টো১৪ তে ফিঙ্গার প্রিন্ট দিয়েছি এখন ও একটা কার্ড পেলাম না. কার্ডের খবর নিতে গেলে একটা প্রিন্ট করা কাগজ ধরিয়ে দেয় যা দেখলে মোবাইল দোকানদার ও নাক সিটকে থাকে. হায়রে বাংলাদেশ হায়রে উন্নয়ন

  • image

    Md.Shamsul Alam

    ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

    It is very expenses EC but supported by Govt strongly. We are helpless.

  • image

    Z.Rahman

    ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

    সব ই ব্যার্থ শুধু তার জন্য বাজেট করা টাকাটা হাওয়া হয়ে যায় !! 2014 তে ফিঙ্গার প্রিন্ট দিয়েছি এখন ও একটা কার্ড পেলাম না. কার্ডের খবর নিতে গেলে একটা প্রিন্ট করা কাগজ ধরিয়ে দেয় যা দেখলে মোবাইল দোকানদার ও নাক সিটকে থাকে. হায়রে বাংলাদেশ হায়রে উন্নয়ন

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

    বাংলাদেশের সর্বত্রই দুইনম্বরি সগৌরবে বিরাজমান।

  • image

    Jahid

    ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

    আহারে, কি কথা!!! যখন যা মনে হচ্ছে করে যাচ্ছে....

  • image

    Zihad Khan

    ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

    "যন্ত্রটি কেনার সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তারা আশাবাদী, ভবিষ্যতে ট্যাবগুলো কাজে লাগবে।" এই সকল আশাবাদী কর্মকর্তারাই বাংলাদেশকে নিরাশায় ডুবে দিবে!

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

    No problem only 460 million, we are very rich, moreover all of these our public money.

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

    I wish I could waste few hundred crores of public money like every other does.

  • image

    Nazmul Kabir

    ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

    আমাদের রক্ত পানি করা টাকা কিভাবে অপচয় হয় তার একটি উধাহরন ।

  • image

    Shakib Khan

    ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

    ৪৬ কোটি টাকা অপচয় করে কেন এই যন্ত্র কেনা হয়েছে??? এই যন্ত্রটি কেনার সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তাদের জরিমানা করা উচিৎ

  • image

    এম সোহেল

    ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

    এই সংবাদ প্রথম আলোর প্রিন্ট সংস্করনে দেখতে চাই জাতি দেখুক।

  • image

    NAhmed

    ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

    যারা এই ট্যাব সাপ্লাই করে টাকা কমানোর তারা ঠিকই টাকা কামায় ফেলেছে। কাজ করছে না করছে এটা তাদের মাথা ব্যাথা এখন না.

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

    তবে যন্ত্রটি কেনার সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তারা আশাবাদী,ভবিষ্যতে ট্যাবগুলো কাজে লাগবে। আহারে ! কি এক আজিব দেশ আমাদের।কর্মকর্তারা ভবিষ্যতের আশা করেন,কোন সাহসে ! এখন কেন কাজ হলোনা,দুদকতো সেই অপরাধে এখনি ''কর্মকর্তা'' নামক দেশের টাকা অপচয়কারী লুটেরাদের কারাগারে পাঠাতে পারে।দেশটার নির্বাচন ব্যবস্থাকে ইতিমধ্যে তারা হাসির খোরাক বানিয়েছে।

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

    আরও লাগে টাকা দেবে গৌরিসেন, সমস্যা কী! জনমত উপেক্ষা করে উন্নয়নের কাজ চলতে থাক।

  • image

    শহিদ উল্যাহ মিয়াজি

    ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

    টাকাটা গেলে সরকারের গেছে, দেশের গেছে। ইভিএমে আগ্রহীরা সরকারের লোক, দেশের লোক। তারা তাদের আর্থিক লোভে অনেক অনৈতিক কাজ করেছে, করছে আর ইভিএম খাতে বড় অংকের সুবিধা নিলে দোষ কী?

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

    সোনার দেশের টাকা এই সব ,,,,মানুষেরা লুট করে খাচ্ছে , দেখার কেউ নাই । আকাশ কুসুম চিন্তা করে দেশের টাকা গুলো নষ্ট করছে, রিট বা মামলা করার মত কোন সৎ মানসিকতার মানুষও নেই ।

  • image

    Mohammad Iqbal Mahmud

    ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

    প্রায় ৪৬ কোটি টাকা ব্যয়ে ৪২ হাজার ২০০ ট্যাব কিনেছে। কিন্তু ট্যাবও কাজ দেখাতে ব্যর্থ হয়েছে। এভাবে ধীরে ধীরে না খেয়ে দেশটারে আস্ত গিলে খাও। ট্যাব এর দাম তিনগুন বেশী থাকার পরেও তা অকেজো। হায়রে টাকা !!! হায়রে কপাল!!! হায়রে দুর্ভাগা দেশ!!! মন চায় গলায় রশি দিয়া মরি।

  • image

    Harun Or Rashid

    ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

    তাতে কি এগুলো জনগণের টাকা!!!

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

    ...... দেশ।

  • image

    monirul islam

    ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

    আমি ভবিষ্যতের জন্য অপেক্ষায় থাকতে চাইনা,আমার বাচ্চা ট্যাবের জন্য কান্না কাটি করে Please এখনই আমাকে ১টা দিয়া দেন। নগদে কাজ শুরু হয়ে যাক। প্রথমআলো আপনারা কেনযে এসব রিপোর্ট লিখেন, ভবিষ্যতে তো কর্মকর্তারা ফেঁসে যাবে।

    • image

      নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

      ০৮ এপ্রিল, ২০১৯

      বাচ্চার ভবিষ্যতের জন্যে আপনার বাচ্চাকে ট্যাব কিনে না দিয়ে একটি টব কিনে দিন চারা সহ, অপেক্ষা না করে।

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

    ট্যাবে ব্যর্থ ¿ তো কি হয়েছে স্যাটেলাইট প্রযুক্তি প্রয়োগ হবে,jus বাজেট একটু বাড়িয়ে দিতে হবে।

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

    চোখের সামনে এমন লুটপাট অরাজকতা বর্বরতার মধ্যে অন্য কোন দল ক্ষমতায় থাকলে এতদিনে ১০টা ১/১১ দেখতে হতো হয়ত!

  • image

    নাসিম

    ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

    এই হরিলুটের শেষ কোথায় 😵

  • image

    এছলাম সরকার

    ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

    লাঙ্গলে ভোট দিলেতো নৌকায় যাওয়ার কথা! সেটি হচ্ছেনা বলেই যত গন্ডগোল।

  • image

    Rashidullah

    ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

    ইভিএমের সাথে একটা প্রিন্টার রাখেন। কিসে ভোট দিয়েছেন ভোটার স্লিপ পাবেন যা ব্যলটবাক্সে জমা হবে। এ থেকে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতেও ভোট গননা করা সম্ভব।

    • image

      MN Alam

      ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

      এগুলো ৫/৭ হাজার টাকা দামের সস্তা ট্যাব দিয়ে কাজ চালাচ্ছে।

    • image

      বিপ্লব ( কুয়াকাটা )

      ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

      টেকনিক্যাল টিম সে সুপারিশ করেছিল কিন্তু ইসি সেটা বাদ দিছে ,

    • image

      FaruQue Khan

      ০৮ এপ্রিল, ২০১৯

      তাইলে তো কোন ফাঁক ফোকড় রইলো না।

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

    মনে হচ্ছে টাকা আকাশ থেকে পড়ে

  • image

    mohammad rahman

    ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

    সমস্যা হলে কাজ বাড়বে আর কাজ তো বিনা পয়সায় হয় না

  • image

    Salman Kadir

    ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

    জনগণের মাল দরিয়ায় ঢাল।

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

    চলছে উন্নয়ন,চলুক উন্নয়ন।

  • image

    KHAN MOHAMMAD LIAQUAT ALI

    ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

    যে উদ্দেশ্যে কেনা হয়েছিল সেটা পরিপূর্ণভাবে সফল৷

  • image

    MN Alam

    ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

    ভাল করে খোঁজ নিলে দেখা কম্পিটার সার্ভিসেস নামের প্রতিষ্ঠানটির জন্মই হয়েছে ইসিকে ট্যাব সরবরাহ করতে। ৪৬ কোটি টাকা প্রথম ধাপে ভাগ বাঁটোয়ারা হয়েছে এখন ৩ হাজার ৮২১ কোটি টাকার হিসেব নিকেশ চলছে। এদের কারণেই কষ্টে উপার্জিত টাকায় ট্যাক্স দিতে কষ্ট লাগে।

  • image

    msIqbal

    ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

    ইভিএমের সক্ষমতা বাড়াতে যুক্ত করা হয়েছে ট্যাব। এবার ইভিএম ও ট্যাব সর্বক্ষণ সচল রাখতে ইউপিএস/আইপিএস সরবরাহের একটা প্রকল্প হাতে নেওয়া যায়! তারপর একটি করে জেনারেটরের.......!

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

    this is not a big deal.

  • image

    Rupom

    ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

    কথায় বলে "সস্তার তিন অবস্থা" । যেসব কর্মকর্তা এই ট্যাব কেনায় জড়িত ছিল তাদের আইনের আওতায় আনা উচিৎ। আমার মনে হয় এক্ষেত্রে গুনগত মান ও প্রগ্রামিং এর সমস্যা রয়েছে এই ট্যাবে।একটা মাঝারি মানের স্মার্ট ফোনের দামও খুচরা বাজারে ৩০-৪০ হাজার টাকা যা পাইকারি বাজারে ১৫-২৫ হাজার টাকা । সেক্ষেত্রে নির্বাচনী কাজে ব্যবহৃত গুরুত্বপুর্ন এই ট্যাবের প্রতিটির মুল্য কত?

    • image

      বিপ্লব ( কুয়াকাটা )

      ০৮ এপ্রিল, ২০১৯

      do u know that these equipment was budgeted 5 times higher cost then its actual price !

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

    দুই কোটিতে যদি ৭ বছর হয়। তাহলে ৪৬ কোটিতে ১৬১ বছরের জেল হয়া উচিৎ।

  • image

    বিপ্লব ( কুয়াকাটা )

    ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

    ৫ গুন্ বেশি দামে এই চায়না মেড জিনিস কিনেছে ইসি। দেশে কি কোন জবাবদিহিতার লেশমাত্র আছে ??

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

    ক্ষতিপূরণ আদায় করা হোক

  • image

    আবিয়ান তাইয়েপ

    ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

    দূর্ণীতির সাথে জিডিপি র সম্পর্ক নাই। বরং যত দূর্ণীতি করে কেনাকাটা হবে তত প্রবৃদ্ধি হবে।

  • image

    MONIRUL ISLAM

    ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

    আঙুল ফুলে কলাগাছ না বটগাছ হও!

  • image

    Md Hafizur Rahman

    ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

    মগের মুল্লুকও ভালো ছিল।

  • image

    MMKhan

    ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

    জিডিপি বৃদ্ধি ৭% হারে বৃদ্ধি পেলে, দুর্নীতি বাড়ছে ৭০% হারে! আর তাই ১ হাজার কোটি টাকার প্রজেক্ট শেষ করতে লাগে ১০ হাজার কোটি টাকা!

  • image

    rafi akhi

    ০৭ এপ্রিল, ২০১৯

    There are so many cases where authorities spend only to create voucher

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ০৮ এপ্রিল, ২০১৯

    government should prioritise their basic activities like building or repairing roads.

  • image

    MD. MEHEDI HASSAN

    ০৮ এপ্রিল, ২০১৯

    এই ৪৬ কোটি টাকা কোন টাকাই না

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ০৮ এপ্রিল, ২০১৯

    ট্যাব গুলো গরীব ছাত্রছাত্রীর মাঝে বিতরণ করে দেন ।

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ০৮ এপ্রিল, ২০১৯

    This proofs the knowledge of our digital consultant and technology.

  • image

    MASUD

    ০৮ এপ্রিল, ২০১৯

    প্রতিটা ট্যাব এর দাম পড়লো ১০ হাজার ৯০০ দশমিক চার দুই করে। আহা কার টাকা কে খরচ করে কোন হিসাব নাই। যে কোম্পানি থেকে কেনা হলো, সেখানে ট্যাব গুলো কাজ না করলে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে এমন কোন প্রভিসন কি প্রারম্ভিক চুক্তিতে ছিলো?

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ০৮ এপ্রিল, ২০১৯

    I dont mind whomever in power but such a wastage, Couldn't take it.

  • image

    John curter

    ০৮ এপ্রিল, ২০১৯

    ট্যাব গুলো দিয়ে বরং খেললেই ভালো হতো !

    • image

      নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

      ০৮ এপ্রিল, ২০১৯

      তাই তো হল!!

  • image

    Mohamed A Rahman

    ০৮ এপ্রিল, ২০১৯

    এই কেলেনকারির বিস্তারিত তল্লাশি করে বিচার করতে হবে।

    • image

      নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

      ০৮ এপ্রিল, ২০১৯

      বিড়ালের গলায় ঘণ্টা বাধিবে কে???

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ০৮ এপ্রিল, ২০১৯

    চার দিকে হলুদ সাংবাদিকতার জোয়ার। এত উন্নয়ন চারদিকে তারপরেও শুধু খুত বের করার চেষ্টা। উলু বনের উলু সব। মুক্তা ছড়িয়ে কি লাভ?

  • image

    Zahid Hasan

    ০৮ এপ্রিল, ২০১৯

    একসময় খাম্বা কেনা হইত, এখন ট্যাব কেনা হয়!

    • image

      নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

      ০৮ এপ্রিল, ২০১৯

      খাম্বাতো,তোবুও কাজে লাগছে।এটাকেতো এস্কারাব হিসেবেও কাজে লাগবে বলে মনে হয়না !

    • image

      নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

      ০৮ এপ্রিল, ২০১৯

      খাম্বা এখন তাঁর মাথায় তার লাগাইয়া আওয়ামীলীগের গুণকীর্তন করিয়া ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছাইয়া দিতেছে!!!!

  • image

    Syed®

    ০৮ এপ্রিল, ২০১৯

    ট্যাবগুলো নিলামে উঠলে আওয়াজ দিয়েন। অপেক্ষায় রইলাম।

    • image

      নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

      ০৮ এপ্রিল, ২০১৯

      অচল মাল।ভাঙ্গারির দোকানে বিক্রি হতে পারে।

  • image

    saima rumi

    ০৮ এপ্রিল, ২০১৯

    আমি তো মনেকরি 100% সফল। এইসব আয়োজন একটি দলকে ক্ষমতায় রাখার জন্য করা হয়েছিল। তাতে ইসি 100% সফল।

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ০৮ এপ্রিল, ২০১৯

    শত হাজার কোটি গায়েব হচ্ছে এখানে তো মাত্র ৪৬ কোটি টাকা, আরে ব্যাপার না !

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ০৮ এপ্রিল, ২০১৯

    টাকা তো পাবলিকের, ৪৬ লক্ষ কোটি গেলেও কার কি? জবাবদিহি তো নাই।

  • image

    Sarbojit Saha

    ০৮ এপ্রিল, ২০১৯

    দেশটা তাদের সম্পত্তি, তারা উল্টেপাল্টে চেটেপুটে খাবে, এমনই তো হবার কথা। এমনি এমনি তো আর মগজ-জবান-বিবেক বেঁচে দেয়নি তারা। এসব হচ্ছে সেসবের মূল্য। এর আগে ৩০০ কোটি টাকার ইভিএম কিনল ২২০০ কোটিতে।

  • image

    md hasan

    ০৮ এপ্রিল, ২০১৯

    যেসব এলাকায় ইভিএম ব্যবহার হবে সেখানে প্রিসাইডিং কর্মকর্তারা এই ট্যাব ব্যবহার করবেন, এবং কেন্দ্রের ফল দ্রুত সন্নিবেশ করে তা ট্যাবের মাধ্যমে রিটার্নিং কর্মকর্তা এবং ইসি সচিবালয়ে পাঠাবেন। ট্যাবের মাধ্যমে পাঠানো ফল ভুল ছিল। অষ্পষ্ট দাবী। ট্যাবের দোষ হয় কিভাবে? যে ইনপুট দিয়েছে তার ভুল। বা এই প্রথম ব্যবহৃত হচ্ছে বলে ট্যাবের সফটওয়্যার ব্যাবহারে ভুল করতে পারে, বা দুর্বল নেট, বা অন্যকিছু হতে পারে। যেহেতু কতৃপক্ষ এ নিয়ে এখুনি কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান। অফিসিয়াল বক্ত্যব্য আসার আগে এভাবে দলবেধে কান্নাকাটি করা কি কারনে?

    • image

      নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

      ০৮ এপ্রিল, ২০১৯

      ভাই, ক্যামিকেল খাইয়া আনারসও বিরুপ প্রতিক্রিয়া ব্যাক্ত করিতেছে!!

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ০৮ এপ্রিল, ২০১৯

    আসলে আঃলীগের রাজনীতি/অর্থনীতি, কোন নীতিরই কোন ব্যাকরণ নাই!!!

সব মন্তব্য