বিএনপির নির্বাচিতরা জানতে চান, দল কী করছে?

সুহাদা আফরিন, ঢাকা ১৬ এপ্রিল, ২০১৯

বিএনপি থেকে নির্বাচিত ছয় নেতা। তাঁরা হলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, হারুন উর রশিদ, মোশাররফ হোসেন, আবদুস সাত্তার, আমিনুল ইসলাম ও জাহিদুর রহমান।বিএনপি থেকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত ব্যক্তিরা দলটির মহাসচিবের কাছে জানতে চেয়েছেন, বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়ে কী করা হচ্ছে? দল কী করছে? নির্বাচিতরা শপথ নেবেন কি না? তাঁরা দলের শীর্ষ নেতাদের বলেছেন, দলের শীর্ষ নেতারা কী করছেন, তা তাঁরা বুঝতে পারছেন না।

সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত ব্যক্তিদের এমন প্রশ্নের জবাবে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তাঁদের অপেক্ষা করতে বলেছেন বলে এই নেতারা প্রথম আলোকে জানিয়েছেন।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির ছয়জন প্রার্থী নির্বাচিত হন। এ প্রার্থীরা গতকাল সোমবার বিএনপির গুলশান অফিসে মির্জা ফখরুলের সভাপতিত্বে বৈঠক করেন। সেখানে শপথ ও খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়ে নিজেদের অবস্থান ও দলের অবস্থান নিয়ে আলোচনা হয়। তবে শপথের বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানান বৈঠকে অংশ নেওয়া নেতারা।

খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিএনপির সংসদে যাওয়া নিয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনার একটি গুঞ্জন অনেক দিন থেকেই হচ্ছে। যদিও বিএনপি বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে গুজব বলে উড়িয়ে দিচ্ছে। শপথ নিয়ে দলের চেয়ারপারসনের মুক্তিসহ কয়েকটি বিষয়ে বিএনপির মধ্যে হিসাব-নিকাশ চলছে। এর মধ্যেই গতকাল নির্বাচিতদের বৈঠক হয়।

তবে গতকালের আলোচনা সভাকে আনুষ্ঠানিক ‘বৈঠক’ বলতে চান না নির্বাচিতরা। ঠাকুরগাঁও-৩ আসন থেকে নির্বাচিত জাহিদুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ‘এটা ঠিক বৈঠক না। যাঁরা নির্বাচিত হয়েছি তাদের মধ্যে পরিচিতি ও সৌজন্য সাক্ষাৎ ছিল। মহাসচিব বাদে বাকি পাঁচজন যাঁরা আছি তাঁরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা, কে কী অবস্থায় আছি, এলাকায় কী হচ্ছে, এগুলো নিয়েই কথা বলেছি।’

এত দিন পরে একসঙ্গে বসা প্রসঙ্গে বিএনপি থেকে নির্বাচিত এই নেতা বলেন, ‘সরকারের অবস্থান বা দলের অবস্থান কিছু বুঝতেছি না। তারপর এলাকায় জনগণের চাপ আছে। তাই ঢাকায় এক সঙ্গে হয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করলাম।’

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ ছয়জন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত হয়েছেন। গতকাল মহাসচিবের কাছে নিজেদের অবস্থান জানান অপর পাঁচ সাংসদ। তাঁরা আলাদাভাবে শপথ নেওয়ার পক্ষে বলে মহাসচিবকে জানিয়েছেন।

মহাসচিবের সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে জাহিদুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ‘মহাসচিবকে বলেছি দেখেন আপনারা (মহাসচিবের উদ্দেশে) কী করছেন? আমরা তো কিছু বুঝতেছি না। আমরা ব্যক্তিগতভাবে শপথের পক্ষে। যদি আমরা সংসদে গেলে খালেদা জিয়ার মুক্তি হয়, তাহলে আপনারা একটা তাড়াতাড়ি ব্যবস্থা করেন। কীভাবে মুক্ত করা যায়, জামিন করা যায়, এগুলো দেখেন। এলাকায় প্রচণ্ড চাপ আছে। এগুলো নিয়েই কথা বলেছি। উনি আমাদের অপেক্ষা করতে বলেছেন।’

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিএনপির একজন দায়িত্বশীল নেতা বলেন, শপথসহ বিভিন্ন বিষয়ে দলের ওপর চাপ আছে। শপথ নেওয়ার জন্য এ মাসটাই হাতে আছে। এর মধ্যেই বিএনপিকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ঐক্যফ্রন্ট থেকে এবার নির্বাচন করে বিএনপি। সেখানে গণফোরামের দুজন শপথ নিয়েছেন। বিএনপি থেকে নির্বাচিতরাও চাচ্ছেন সংসদে যেতে। তবে তাঁরা এও বলছেন, দলের সিদ্ধান্তের বাইরে যেতে চান না। খালেদা জিয়ার জামিন হবে, সেদিকে তাকিয়ে আছেন তাঁরা। নির্বাচিত সদস্যরা এবং বিএনপির নেতারা বলছেন, খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়টি এখন সরকারের ওপর নির্ভর করছে এবং দলকেও সে অনুযায়ীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।

সরকারের সঙ্গে সমঝোতা, খালেদা জিয়ার মুক্তি—এসব গুঞ্জনের মধ্যেই বিএনপি চেয়ারপারসনের প্যারোলে মুক্তি নিয়ে আলোচনা উঠেছে। সরকারদলীয় নেতারা বলছেন, প্যারোলের জন্য খালেদার পক্ষ থেকে আবেদন করলে তা বিবেচনা করা হবে। অন্যদিকে বিএনপি নেতারা বলছেন, সরকার মিথ্যা মামলায় তাঁকে আটকে রেখেছে এবং জামিন তাঁর প্রাপ্য। বিএনপির এক সূত্র জানায়, খালেদা জিয়াকে এখন রাজনীতি, দল, সংগঠনের স্বার্থে কোনো একটি সিদ্ধান্ত নিতে হবে। পয়লা বৈশাখে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন দলের তিন শীর্ষ নেতা। সেখানেও খালেদা জিয়া তেমন কোনো সিদ্ধান্ত দেননি বলে জানান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম।

বগুড়া-৪ আসন থেকে নির্বাচিত মোশাররফ হোসেন গতকালের বৈঠক নিয়ে প্রথম আলোকে বলেন, ‘শপথের ব্যাপারে ম্যাডামকে মুক্তি দিলে বিষয়টি নিয়ে ভেবে দেখব। জামিন দেওয়া সাপেক্ষেও তারা (সরকার) মামলা চালাতে পারে। এটা করলে আমরা ভেবে দেখব।’ নির্বাচিত বিএনপির নেতারা জানান, তাঁরা আবারও বসবেন। শপথ এবং খালেদা জিয়ার মুক্তির প্রসঙ্গে কোনো সিদ্ধান্ত নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই নেওয়া হবে।

মন্তব্য

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ১৬ এপ্রিল, ২০১৯

    দল কি করবে! জানতে চান তারেক, আইএসআই কি করবে?

    • image

      নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

      ১৬ এপ্রিল, ২০১৯

      আপনার মত আমিও অনিচ্চুক হয়ে বলতে চাই, সবাই কি করবে তা মোদি-জি কে জিজ্ঞেস করুন!!!

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ১৬ এপ্রিল, ২০১৯

    No No....

  • image

    বিবেক

    ১৬ এপ্রিল, ২০১৯

    মানুষের ভোটের অধিকারের দাবিতে মহাসড়কে গিয়ে শুয়ে পড়ুন।

    • image

      নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

      ১৭ এপ্রিল, ২০১৯

      ভোটের অধিকার নাই তো তাতে আমার হচ্ছে কি? সমস্যা তাদের যারা বিম্পি-জামাতের রাজনীতি করত, দলীয় সুবিধা নিয়ে সরকারী সম্পদকে নিজের করত তাদের। তাদের সুবিধার জন্য আমি কেন ঝামেলায় যাবো? আমার স্বার্থ তো বিম্পি-জামাত কোন দিন দেখে নাই। বরং পেট্রোল বোমার রাজনীতি করে আমাদের পেটে লাথি দেওয়া হয়েছিল, বহু মানুষকে পোড়ানো হয়েছে, তাদের পরিবারে ভয়াবহ দুর্যোগ বয়ে গেছে যার জন্য দায়ী এই বিএনপি-জামাত। অভিশাপ এদের প্রতি।

    • image

      ফখরুদ্দিন

      ১৭ এপ্রিল, ২০১৯

      So funny!

    • image

      নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

      ১৭ এপ্রিল, ২০১৯

      উনারা ফেসবুকে শুয়ে আছেন!!!

  • image

    Rahul Nigam

    ১৬ এপ্রিল, ২০১৯

    আমার মতে বিএনপি থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ নিক ,,,তাতে করে যারা যে এলাকা থেকে নির্বাচিত হয়েছেন সেই এলাকার শান্তি কামী মানুষের মুখের দিকে তাকিয়ে শপথ গ্রহণ করে তাদের পাশে দাঁড়ানো।

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ১৬ এপ্রিল, ২০১৯

    বিএনপির খবর ঈদের পরে লিখলে ভাল হতো,

  • image

    Rashidullah

    ১৬ এপ্রিল, ২০১৯

    এমন একটি নির্বাচনকে স্মরণীয় করে রাখতে ঐ ৬ জন বিএনপির সাংসদের সংসদে যোগ দেওয়া উচিত। এতে লাভ ছাড়া ক্ষতি নাই।... যদি বিএনপি রাস্তায় আন্দোলন তৈরী করতে পারেন ঐ সাংসদরা তখন কাজে লাগবে।

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ১৬ এপ্রিল, ২০১৯

    Join parliament.no way.

    • image

      নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

      ১৭ এপ্রিল, ২০১৯

      An MP has been elected to join the parliament, and not for riding on a rainbow. Isn't it?

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ১৬ এপ্রিল, ২০১৯

    লও ঠেলা!

  • image

    Abdulllah Al Amin

    ১৬ এপ্রিল, ২০১৯

    If BNP consider the election as valid then they can join Parliament otherwise should not.

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ১৬ এপ্রিল, ২০১৯

    সংসদে না যাওয়া এবং অন্য নির্বাচনে অংশগ্রহন না করাই হচ্ছে বিএনপির জন্য সবচেয়ে বড় প্রতিবাদ। জনগণ এটাকে খুব ভালোভাবে নিয়েছে, যার প্রমাণ আমরা সিটি ও উপজেলা নির্বাচনে দেখেছি।আর সেজন্যই সরকার কৌশলে আবার বিনপিকে ঘায়েল করতে চাচ্ছে। বিএনপিকে আরো সতর্ক হতে হবে, না হলে সরকারের পাতানো ফাঁদে পা দেয়া হবে।

    • image

      নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

      ১৭ এপ্রিল, ২০১৯

      People don’t love the present government but they think it’s better than BNP.

    • image

      রাজিব

      ১৭ এপ্রিল, ২০১৯

      বিএনপির শান্তিপূর্ণ অবস্থানই আওয়ামীলীগের অশান্তির কারণ হয়ে দাড়িয়েছে। ক্ষমতার বাইরে থেকে বিএনপি যতটা কোন ঠাসা হয়েছে ক্ষমতায় থেকেও আওয়ামীলীগ এখন তার চেয়েও বেশি কোনঠাসা হয়ে আছে, বাকিটা দেখার জন্য অবৈধ ক্ষমতার উৎখাত হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।

    • image

      নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

      ১৭ এপ্রিল, ২০১৯

      If BNP rejects parliament then it will be most negative mark of Govt which may consider as the scarified done by Br Moynul Hossain & Gen A Gani Osmani . They will be remembered with honor forever even after parliament dissolved.

    • image

      Sagar

      ১৭ এপ্রিল, ২০১৯

      এই বড় প্রতিবাদ নিয়েই থাকুক বিএনপি! দাওয়াত আর জনগন দিবে বলে মনে হয়না! আবার কেউ সাধিবেনা আর!

  • image

    Jahangir Alam

    ১৬ এপ্রিল, ২০১৯

    খালেদা এবং তারেক দুজনই যে অপকর্ম করেছেন তা বি এন পির জন্য এখন আগাছা । এই সব আগাছা দিয়ে দলের জন্য এবং দেশের কখনো ভালো কিছু নিয়ে আসতে পারবে না । সুতরাং দলের উচিত এই দুই আগাছা কে বাদ দিয়ে দেশের জন্য রাজনীতি করা ।

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ১৬ এপ্রিল, ২০১৯

    বিএনপির নির্বাচিত কিংবা সরকারীভাবে ২৯ তারিখ মনোনীতরা ছাড়া অদৃশ্য ইশারায় কিছু মিডিয়ার অতি উতসাহে বিএনপিকে সংসদে আনার তৎপরতা বেশ সন্দেহজনক বটে!

  • image

    আবুল বাহার

    ১৬ এপ্রিল, ২০১৯

    বিএনপি শেষ পর্যন্ত শপথ নিবে লিখে দিলাম।

  • image

    msIqbal

    ১৬ এপ্রিল, ২০১৯

    ঠিকই তো! এভাবে অনিশ্চয়তার মধ্যে আর কতদিন! ৯০ কার্য দিবস যে প্রায় যায় যায়!

  • image

    mohammad rahman

    ১৬ এপ্রিল, ২০১৯

    পজিটিভ উপাদানের উপর দল টিকে থাকে ব্যাকতির উপর নয় খালেদা জিয়া হয়ত আর ক, বছর বাচবেন । কিনতু বিএনপিকে টিকে থাকতে হবে তার পরও ! দলের রাজনীতির স্বার্থেই বাসতব সীদধানত হবে দলকে দলের চেয়ারপার্সন কে - !

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ১৭ এপ্রিল, ২০১৯

    এই ৫ জন শপথ নিলে খালেদা জিয়া মুক্ত হয়ে যাবেন? কিভাবে?

    • image

      Zahid Hasan

      ১৭ এপ্রিল, ২০১৯

      আঃলীগের টোপ গিলবে বিএনপি। জনগণের কথা তারা কখনো ভাবে না। জনগণের দাবিতে তিনি জেলে যান নাই, কাজেই জনগণ তাকে জেল থেকে বের করবে না।

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ১৭ এপ্রিল, ২০১৯

    ফকরুল ইসলাম বাদে বাকিদের আওয়ামীলীগ টাকার লোভ দেখিয়ে পানি ঘোলা করার পায়তারা করতে পারে...

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ১৭ এপ্রিল, ২০১৯

    BNP is finished, totally finished.

    • image

      নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

      ১৭ এপ্রিল, ২০১৯

      না, না, না, এ হতে পারে না!!!!

  • image

    Moazzma H

    ১৭ এপ্রিল, ২০১৯

    নির্বাচনের সময় বেগম খালেদা মুক্তি পাননি ; এই চুনুপুটি ছয় জনের জন্য বেগম খালেদা মুক্তি পাবেন ; এটা শুধুই কল্পনা বিলাস । হয় আপনারা আপনাদের গরজেই শপথ নিবেন, না হয় ওখানে আবার নির্বাচন হবে; এর বেশি কিছু নয় ।

  • image

    রাজিব

    ১৭ এপ্রিল, ২০১৯

    এই রিপোর্টার প্রতিদিনই বিএনপির বিরুদ্ধে উস্কানী মূলক রিপোর্ট প্রচার করে, বিএনপির মিটিংয়ের মূল এজেন্ডা বাদ দিয়ে আলোচনা প্রসঙ্গে আসা বিষয় গুলোকে সাংবাদ শিরোনাম হিসেবে প্রচার করে।

  • image

    M Halim

    ১৭ এপ্রিল, ২০১৯

    ঈদের পরে ভয়ংকর আন্দোলন হবে, এই প্ল্যান ফাইনাল। তবে কোন বছরের ঈদ, সেটা আগামী বছর ঈদের পর ঠিক করা হবে

  • image

    Anisur Rahman

    ১৭ এপ্রিল, ২০১৯

    মির্জা ফখরুল সাহেব নির্বাচনের আগে ভারতের পত্রিকাকে বলেছিলেন তার উত্তম-সুচিত্রার সিনেমা দেখতে ভালো লাগে। ওসব রোমান্টিক মুভি দেখলে আইডিয়া আসবে না, একটু স্ট্রাটেজি মুভি দেখা দরকার। বেগম জিয়ার বয়স হয়েছে, তিনি নিজে তো আর শশাঙ্ক রিডেম্পশন স্টাইলে বের হতে পারবেন না।

  • image

    Md.Shamsul Alam

    ১৭ এপ্রিল, ২০১৯

    If BNP rejects parliament then it will be most negative mark of Govt which may consider as the scarified done by Br Moynul Hossain & Gen A Gani Osmani . They will be remembered with honor forever even after parliament dissolved.

  • image

    Zahid Hasan

    ১৭ এপ্রিল, ২০১৯

    ". নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন শীর্ষ বিএনপি নেতা গতকাল (১৫ এপ্রিল) ,বলেন “ছয়জন আসছেন, একজন চলে যাচ্ছেন।” ছয় নবনির্বাচিত সদস্য সংসদে যোগ দিচ্ছেন এবং দলীয় প্রধান খালেদা জিয়া বিদেশে যাচ্ছেন-এমনই ইঙ্গিত তার। তিনি আরও বলেন, “খালেদা জিয়া আগামী ২৫ বা ২৬ এপ্রিল লন্ডনের ফ্লাইটে উঠবেন। তার চলে যাওয়ার পর নির্বাচিত এমপিরা শপথ নিতে পারেন।” "

  • image

    ABDUL MAJID QUAZI

    ১৭ এপ্রিল, ২০১৯

    BNP winners in Last election win by their personal popularity in constituency, not by popularity of party. They win as honest dealings with local voters.

  • image

    Mr Rayman

    ১৭ এপ্রিল, ২০১৯

    আমরা একদলিও শাসন বেবস্থা চাই । কথা দিচ্ছি , সব মারামারি , হানাহানি, চাঁদাবাজি বন্ধ হইয়া যাইবে

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ১৭ এপ্রিল, ২০১৯

    বিএনপির কয়জন সংসদে না গেলেই বা কি। দেশ ভালো চলছে। হুদাই গিয়া বেতন কোয়ার্টার অার গাড়ীর সুবিধা নিয়া দেশের টাকা নষ্ট করার কি দরকার?

সব মন্তব্য