ফখরুলের আসন শূন্য ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা ৩০ এপ্রিল, ২০১৯

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ফাইল ছবিবিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নির্ধারিত সময়ে শপথ না নেওয়ায় বগুড়া-৬ আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের বৈঠকে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী বিষয়টি সংসদকে অবহিত করেছেন। তিনি বলেছেন, সংবিধান অনুযায়ী সংসদের প্রথম বৈঠক থেকে ৯০ দিনের মধ্যে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের শপথ নেওয়ার কথা। কিন্তু তিনি অসমর্থ (শপথ না নেওয়ায়) হওয়ায় তাঁর আসনটি শূন্য হয়েছে।

গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মির্জা ফখরুল ঠাকুরগাও ও বগুড়া থেকে নির্বাচন করেন। বগুড়া-৬ আসনে তিনি নির্বাচিত হন।

বিএনপি এই নির্বাচনে ৬টি আসনে জয়ী হয়। ইতিমধ্যে ৫ জন সাংসদ দলীয় সিদ্ধান্তে শপথ নিয়েছেন।

মির্জা ফখরুল বলেছেন, দলীয় সিদ্ধান্তে তিনি শপথ নেওয়া থেকে বিরত থাকছেন।

সংবিধান অনুযায়ী কোনো সংসদ সদস্যে নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ থেকে নব্বই দিনের মধ্যে শপথ নিতে না পারলে ওই সাংসদের আসন শূন্য হবে। তবে এই ৯০ দিনের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে স্পিকার যথার্থ কারণে তা বাড়াতে পারবেন।

মির্জা ফখরুল এই সময়ে শপথ নেননি, সময় চেয়ে কোনো আবেদন করেননি।

মন্তব্য

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ৩০ এপ্রিল, ২০১৯

    বাপের বেটা। কথা কথাই।

  • image

    Zunaid Ahmed

    ৩০ এপ্রিল, ২০১৯

    আহারে! বেচারা 😂

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ৩০ এপ্রিল, ২০১৯

    রাত্রিকালীন নির্বাচনে আসন শূন্য আর পূর্ণ।

  • image

    Md. Ruhul Amin

    ৩০ এপ্রিল, ২০১৯

    বিএনপি আসলে ভুলের চোরাবালিতে ডুবে যাচ্ছে। তাদের 5 জন নির্বাচিত এমপিকে সামলাতে না পেরে রাত্রে জানাল যে তাদের সম্মতি দেয়া হয়েছে। সম্মতি যদি দিয়ে থাকে, তাহলে মহাসচিব বাদ কেন? আসলে সম্মতি দেননি, তাদের কথা না শুনে পাঁচজন শপথ গ্রহণ করেছেন। এটা বুঝতে রকেট বিজ্ঞানী হওয়ার প্রয়োজন নেই। দলের শীর্ষ নেতারা চান নাই যে এইসব জুনিয়ার নেতারা এমপি হিসাবে পরিচিতি পাক। দলের সিনিয়র নেতারা বিএনপিকে বিপদগ্রস্ত করছে। অনেকে চায় না ফখরুল সাহেব মহাসচিব থাক। কিছুদিনের মধ্যেই আমরা আরো অনেক নাটক দেখতে পাবো।

    • image

      শরীফ সাহেদি

      ০১ মে, ২০১৯

      ভাই আপনাকে লাইক দেয়ার জন্য লগইন করলাম ।আপনি আমার মনের কথাটা বলেছেন । তারেক জিয়া যদি অনুমতি দিয়ে থাকেন তাহলে তিনি কেন শপথ নেন নাই । আসলে তারেক জিয়া অনুমতি দেয় নাই । বি এন পির অভ্যাস মত মিথ্যাচার করেছে ।

  • image

    muhammad hassan

    ৩০ এপ্রিল, ২০১৯

    আপনাকে সশ্রদ্ধ অভিনন্দন।

  • image

    MD.ROJJOB

    ৩০ এপ্রিল, ২০১৯

    এবার ভালা হইছে

  • image

    নবীন

    ৩০ এপ্রিল, ২০১৯

    আ: লীগের সাথে রাজনীতি করার সাধ!

  • image

    NAhmed

    ৩০ এপ্রিল, ২০১৯

    শিগগিরই স্বনির্বাচিত হবে আওয়ামী লীগের কেউ, মোক্ষম সময় কারো এই সুযোগ হাতছাড়া করা উচিত হবে না...

  • image

    Ghotok Ferdous. E-mail: abroad2009@gmail.com

    ৩০ এপ্রিল, ২০১৯

    মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেব সম্পর্কে যা ভেবেছিলাম, আসলে তা না। ভদ্রলোকের বুকে পাটা আছে।

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ৩০ এপ্রিল, ২০১৯

    সব লন্ডনীর ইচ্ছা....

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ৩০ এপ্রিল, ২০১৯

    প্রয়োজনে রাজনীতি ছেড়ে দিন, তাও এমন সংসদে শপথ নিয়েন না । বলে দিন এ কথা স্পষ্ট করে ।

  • image

    Md Khalilur Rahman

    ৩০ এপ্রিল, ২০১৯

    উপনির্বাচনে খালেদাকে এমপি বানানোর পরিকল্পনা বলে মনে হচ্ছে।

    • image

      Ghotok Ferdous. E-mail: abroad2009@gmail.com

      ০১ মে, ২০১৯

      আপনার মন্তব্য পড়ে আমারও সেটা মনে হচ্ছে। ধন্যবাদ খলিলুর রহমান সাহেব।

    • image

      Foyruz Ahmed

      ০১ মে, ২০১৯

      তা কি করে হয়!? সাজাপ্রাপ্ত কোন ব্যাক্তি কি করে নির্বাচন করে?

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ৩০ এপ্রিল, ২০১৯

    তিনি নিজেকে বিসর্জন দিলেন। তাঁকে সবাই ক্ষমা করে দেবেন। হয়তো শীঘ্রই নতুন কিছু খবর পাবেন।

  • image

    Mahbub Hasan

    ৩০ এপ্রিল, ২০১৯

    গয়েশ্বর বলেন, দলের সিদ্ধান্ত যদি শপথ নেওয়ারই হতো তাহলে তো মহাসচিব শপথ না নিয়ে দলের সিদ্ধান্ত ভঙ্গ করেছেন।

  • image

    Imran Qatar

    ৩০ এপ্রিল, ২০১৯

    নি:সন্দেহে ফখরুল সাহেব একজন স্বার্থহীন রাজনীতিবীদ। যিনি তার আদর্শের উপর অবিচল থেকেছেন।

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ৩০ এপ্রিল, ২০১৯

    যাক বাংলাদেশে একটা রেকর্ড হল!

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ৩০ এপ্রিল, ২০১৯

    মিথ্যার রাজনীতি করে লাভ কি? ফকরুল সাহেব ইতিহাসের পাতায় উজ্জল দিসতান্ত্র হয়ে থাকবেন।

  • image

    Debobroto Goswami ( Los Angeles )

    ৩০ এপ্রিল, ২০১৯

    মির্জা ফখরুলের উচিত সত্য প্রকাশ করা এতে হয়ত মহাসচিবের পদ থাকবে না। তারেক সহ দলের বেশীরভাগ সিনিয়র নেতারাই চায় না মির্জা সাহেবকে মহাসচিব আর দেখতে কিন্তু খালেদা ম্যাডাম তাকে আদর্শ নেতা হিসাবে জানে, বাকীগুলোর যে নীতি নেই সেটা ম্যাডাম ভাল করে জানে।

  • image

    Engr. Md. Golam Mahabub

    ৩০ এপ্রিল, ২০১৯

    তামাশা বটে ! গয়েশ্বর চন্দ্র বলেছেন, বিএনপির সিদ্ধান্ত হলো সংসদে না যাওয়া, তিনি এবং দলের অন্য নেতারা বিএনপির এমপিদের শপথ নেয়ার বিষয়ে কিছুই জানেন না। মীর্জা ফখরুল বলেছেন, তারেক জিয়ার সাথে আলোচনা করেই বিএনপির এমপিরা শপথ নিয়েছেন। তা যদি হয়, বিষয়টি মীর্জা ফখরুল অন্য নেতাদের জানাননি কেন? তারেক জিয়াও কি তাইলে দলীয় সিদ্ধান্ত ভঙ্গ করেছেন? তার বিরুদ্ধে কি শাশ্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে? বিএনপিকে নিয়ে এখন সর্বত্র মুখরোচক গল্প আর হাসাহাসি চলছে !

  • image

    abir

    ৩০ এপ্রিল, ২০১৯

    ফখরুলের আসন শূন্য ঘোষণা।আসনটি কেঁদে কেঁদে গাইছে- 'শূন্য এ বুকে পাখি মোর ফিরে আয়,ফিরে আয় !'

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ৩০ এপ্রিল, ২০১৯

    ধন্যবাদ, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আপনাকে।

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ৩০ এপ্রিল, ২০১৯

    ফক্রুলের শপথ না নেওয়ার পেছনে কয়েকটি কারন আছে। ১। বগুড়ার ওই আসনে স্থানীয় নেতার সাথে ফক্রুলের ঝামেলা চলছে। পরিকল্পনা ছিল উপনির্বাচনে তাদের সুযোগ দেওয়া হবে। কিন্তু আম্লিগ ফক্রুলের নিজের আসনে তাকে কিক-আউট করার পর ভেজাল লেগে গেছে। ২। যারা শপথ নিয়েছে, তাদের বিএনপি থেকে অনুমোদন দেওয়া হয় নাই। যখন দেখা গেল কাউকেই আর আটকান যাচ্ছে না তখন মান ইজ্জত বাঁচাতে শেষ মুহূর্তে বিএনপি'র হাই কমান্ডের অনুমোদনের কথা বলা হয়েছে। তবে এটা বিএনপি'র মালিকের সাথে আলাপ করে করা হয়েছে এছাড়া কোন বিকল্প ছিল না। ৩। ফক্রুল নিজে মহাসচিব। তাই সে শপথের দিকে যেতে পারে নাই। তার ক্ষমতা, সুযোগ সুবিধা অন্যদের চাইতে অনেক বেশি। সুতরাং তার সংসদে না গেলেও খুব একটা অসুবিধা নাই। এখন নাটক শুরু হবে সংসদে যাওয়া আর বাইরে থাকাগুলরে নিয়ে। সুবিধাবাদীরা ভেতরের গুলোকে নিয়ে একটা চক্র তৈরি করবে। এখানেও ফক্রুল মার খাবে ছাগলের ৮ নাম্বার বাচ্চার মত। সামনে আরও সার্কাস আসছে।

  • image

    Mohammed

    ৩০ এপ্রিল, ২০১৯

    বিএনপি দাবী করবে যে তারা তাদের নীতিতে ঠিক আছে অর্থাৎ তারা তো সবাই সংসদে যায়নি,ফখরুল সাব যিনি দলের মহাসচিব তিনি তো শপথ নেননি - অন্য সাংসদরা তো চুনোপুটি ।এটা দলটির একটি বিজ্ঞ চাল,এই বলে তারা জিতেই ছাড়বে ।

  • image

    Masud Parvez

    ৩০ এপ্রিল, ২০১৯

    রাজনৈতিকভাবে এটা ভালো সিদ্ধান্ত অবশ্যই। তারেক সাহেবের উচিত দলটাকে দেশের জন্য প্রস্তুত করা। এ ছাড়া বিপদ বৈ কিছু প্রাপ্তি থাকবেনা।

  • image

    Rakesh Biswas

    ৩০ এপ্রিল, ২০১৯

    বেগম জিয়া আসছেন!

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ০১ মে, ২০১৯

    আমরা সাধারণ জনগন জানিনা কি পলিটিক্স হচ্ছে। কিন্তু মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বর্তমান রাজনীতিতে একমাত্র ব্যতিক্রম ও অসাধারণ ব্যাক্তিত্ব! আল্লাহ্ ওনাকে হেফাজত করুন।

  • image

    Amra Shob Bujhi

    ০১ মে, ২০১৯

    BNP = Lazy Party + Lazy Ignorant Supporters + Lazy Good for nothing Leaders = No vision for a future developed Bangladesh

  • image

    A. Khan

    ০১ মে, ২০১৯

    Honestly, brave and wise. But what is lying behind?

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ০১ মে, ২০১৯

    সত্যিই অসাধারণ ব্যক্তি । সালাম স্যার।

  • image

    Mohammed Khan

    ০১ মে, ২০১৯

    ইসস...। বিনিয়োগের মূলধনটা পানিতে গেল ।

  • image

    Shahzubair Khan

    ০১ মে, ২০১৯

    বিএনপি কি মির্জা ফখরুলের জনপ্রিয়তাকে পুঁজি করে সাংবিধানিক সংকট তৈরীর রাজনৈতিক প্রচেষ্টা শুরু করতে যাচ্ছে? এমন যদি হয় যে, শুন্য আসনে মির্জা সাহেব আবার নির্বাচনে অবতীর্ন হবেন এবং যদি জেতেন তাহলে শপথ না নেয়ার সিদ্ধান্ত বহাল রাখবেন এবং এমনকি বিএনপির সাংসদেরা একযোগে পদত্যাগ করার হুমকি দেন ও অনুরূপ প্রক্রিয়া বজায় রাখার হুমকি দেন তাহলে কি হতে পারে রাজনীতিতে? বিএনপি কি তাদের বিষয়ে তাদের বিরোধীরা ভবিষ্যতে কি করতে যাচ্ছে তা পরখ করতে চাচ্ছে? জনগনকে জিম্মি করে রাজনীতিকে কি সার্কাসে পরিনত করার অন্যরকম প্রয়াস চলছে? শপথ গ্রহন না করলে একজন বিজয়ী প্রার্থী কি আবার নির্বাচনে অংশগ্রহন করতে পারবে?

  • image

    Rupom

    ০১ মে, ২০১৯

    ফখরুল গনতন্ত্রের পথের যাত্রী নয় তাই সে শপথ নেয়নি। তার আসন শুন্য ঘোষণা করায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করছি।

সব মন্তব্য