এক শপথ নিয়ে বিএনপির তিন সিদ্ধান্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা ০২ মে, ২০১৯

হারুন উর রশিদ, মোশাররফ হোসেন, আবদুস সাত্তার, আমিনুল ইসলাম ও জাহিদুর রহমান।গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে মাত্র ছয়টি আসনে জয়লাভ করে বিএনপি। প্রহসনের নির্বাচন উল্লেখ করে দলটি সিদ্ধান্ত নেয়, তারা সংসদে যাবে না। সংসদ সদস্য হিসেবে এই ছয়জনের কেউই শপথ নেবেন না। এই সিদ্ধান্ত শুধু এককভাবে বিএনপির ছিল, তা নয়, জোটগতভাবে শরিক দল গণফোরামের দুই নির্বাচিত সদস্যেরও শপথ নেওয়ার কথা ছিল না। কিন্তু চার মাসের মধ্যে সবকিছু ওলট–পালট হয়ে গেল।

শপথ ইস্যুতে বিএনপি আগের অবস্থানের একেবারেই উল্টো সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলল। অবশ্য বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নিজেই বলেছেন, এটি রাজনীতিতে বিএনপির চমক ও ইউটার্ন। তবে রাজনীতিবিদ ও রাজনীতি বিশ্লেষকেরা বলছেন, রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছু নেই; এটা ঠিক। কিন্তু একটি ইস্যুতে তিন ধরনের সিদ্ধান্ত অনেকের কাছে আগ্রহের সৃষ্টি করেছে। কেউ কেউ একে অভিনব বলেও মত দিয়েছেন। তাঁরা বলেছেন, বিএনপি তাদের নির্বাচিত ছয়জনের জন্য তিন ধরনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এটা আসলেই রাজনৈতিকভাবে দূরদর্শিতা কি না, তা সময়ই বলে দেবে। তবে আপাতদৃষ্টিতে বোঝা যাচ্ছে, নেতা-কর্মীদের ওপর বিএনপির নিয়ন্ত্রণ কম থাকার কারণেই তিন ধরনের সিদ্ধান্ত এসেছে।

শপথ ইস্যুতে নির্বাচিত ছয়জনের জন্য ভিন্ন ভিন্ন সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছে বিএনপি। সিদ্ধান্ত তিনটি হলো প্রথম শপথ নেওয়া দলীয় সাংসদ জাহিদুর রহমানকে দল থেকে বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। চার সাংসদ হারুনুর রশীদ, আমিনুল ইসলাম, উকিল আবদুস সাত্তার ও মোশাররফের জন্য দলীয় সিদ্ধান্ত হলো তাঁরা সংসদে যাবেন। আর দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত শপথ নেবেন না। অর্থাৎ মির্জা ফখরুল সংসদ সদস্য হবেন না।

এর মধ্যে সাংসদ হিসেবে শপথ না নেওয়ায় যে আসন (বগুড়া-৬) থেকে ফখরুল নির্বাচিত হয়েছিলেন, তা শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে। অর্থাৎ এই সংসদে ফখরুল আর সাংসদ হিসেবে থাকছেন না।

দলীয় কোনো পদে না থাকলেও বিএনপির রাজনীতির প্রতি সহানুভূতিশীল গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি চিকিৎসক জাফরুল্লাহ চৌধুরী। প্রথম আলোকে তিনি বলেন, ‘আমি সংসদে গিয়ে কথা বলার পক্ষেই ছিলাম। তবে যে পদ্ধতিতে বিএনপি গেল, সেই যাওয়াটা ভুল। সিদ্ধান্ত সঠিক কিন্তু পথটা ভুল। বিএনপির স্থায়ী কমিটি এবং সবাইকে জানিয়েই করতে পারত।’ তিনি মনে করেন, একটাই সিদ্ধান্ত হওয়া উচিত ছিল।

বিএনপির সূত্রগুলো বলছে, অনেকটা বাধ্য হয়েই সংসদে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে বিএনপিকে। বিএনপি সিদ্ধান্ত না নিলে চার সাংসদের সংসদে যাওয়া ঠেকানো যেত না। কেবল মির্জা ফখরুলই সংসদে না যাওয়ার ব্যাপারে দলের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছিলেন। ফলে, দলে ভাঙন হওয়ার আশঙ্কা ছিল। দলের নেতৃত্বের দুর্বলতাও সামনে আসত।

গত ২৫ এপ্রিল সাংসদ হিসেবে শপথ নেন ঠাকুরগাঁও থেকে নির্বাচিত জাহিদুর রহমান। এর দুদিন পর জাহিদকে দল থেকে বহিষ্কার করে বিএনপি। কিন্তু দুদিন পরেই চার সাংসদের বেলায় ভিন্ন সিদ্ধান্ত নেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। কিন্তু চার সাংসদের বেলায় সংসদে যাওয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত দিলেও মির্জা ফখরুল এই সিদ্ধান্তের বাইরে থাকেন।

বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে পরোক্ষভাবে জড়িত একজন শিক্ষাবিদ বলেন, সংসদে যাওয়ার ব্যাপারে বিএনপি পানি ঘোলা করে তা খেয়েছে এটা ঠিক। তবে সিদ্ধান্ত একেকজনের ক্ষেত্রে একেক রকম হওয়াটা ঠিক হয়নি। এটা বিভ্রান্তিকর। তবে এই শিক্ষাবিদ বলেন, শেষ মুহূর্তে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, সেটা নেওয়া ছাড়া অন্য উপায় বিএনপির ছিল না।

অবশ্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এক অনুষ্ঠানে এই সিদ্ধান্তকে দলীয় কৌশল বলেছেন। পরে তিনি প্রথম আলোকে বলেছেন, দলের সিদ্ধান্ত তাঁর কাছে চূড়ান্ত। সেটা ঠিক বা ঠিক নয়, তা সময়ই বলতে পারবে।

মন্তব্য

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ০২ মে, ২০১৯

    Mr.Fokhrul Islam is out of control of Tareq Rahman! is It!

    • image

      নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

      ০২ মে, ২০১৯

      May be you people are out of control from yourselves !

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ০২ মে, ২০১৯

    জাতি খুব আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছে ড. রিজভী সাহেবের বিবৃতির জন্যে, বেচারা কি প্রধান ....পদ হারালেন!

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ০২ মে, ২০১৯

    system failure

  • image

    Mahbub Hasan

    ০২ মে, ২০১৯

    বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে পরোক্ষভাবে জড়িত একজন শিক্ষাবিদ বলেন, সংসদে যাওয়ার ব্যাপারে বিএনপি পানি ঘোলা করে তা খেয়েছে এটা ঠিক। তবে সিদ্ধান্ত একেকজনের ক্ষেত্রে একেক রকম হওয়াটা ঠিক হয়নি। এটা বিভ্রান্তিকর। তবে এই শিক্ষাবিদ বলেন, শেষ মুহূর্তে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, সেটা নেওয়া ছাড়া অন্য উপায় বিএনপির ছিল না।

  • image

    Souman Chakraborty.

    ০২ মে, ২০১৯

    রাজনীতি'র অ আ ক খ না শিখে যারা একলাফে চেয়ারম্যান হয় তাদের সিদ্বান্ত ভুল হবে এটা খুবই স্বাভাবিক। দুর্ভাগ্য শুধু এ জাতির।

    • image

      নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

      ০২ মে, ২০১৯

      চক্রবর্তি দাদা রাজনীতির অ আা ক খ শেখার জন্যে কি উচ্চ শিক্ষায় দিল্লী গমন করিতে হইবে ?

  • image

    msIqbal

    ০২ মে, ২০১৯

    সিদ্ধান্ত নয়, এগুলারে বিএনপির ভাষায় বলা হয় ''কৌশল''! সিদ্ধান্ত তিনটা না হয়ে চারটা হলে ভালো হতো। শিরোনাম করা যেত ' কৌঁসুলি বিএনপির চৌকষ সিদ্ধান্ত'!

  • image

    Tanjim Ahmed

    ০২ মে, ২০১৯

    আমার ধারনা , জামিন নিয়ে বেগম জিয়া যেন নির্বাচিত হয়ে সংসদে যেতে পারেন সেকারণে মির্জা ফখরুল সাহেবকে শপথ নিতে দেওয়া হয়নি । শপথ নিয়ে নিলে বেগম জিয়া সংসদে যাবার পথ পেতেন না । এটাই হয়তো অসাধারণ কৌশল । বাকিটা সময় গেলেই বুঝা যাবে । ধন্যবাদ

  • image

    Tanjim Ahmed

    ০২ মে, ২০১৯

    আমার ধারনা , জামিন নিয়ে বেগম জিয়া যেন নির্বাচিত হয়ে সংসদে যেতে পারেন সেকারণে মির্জা ফখরুল সাহেবকে শপথ নিতে দেওয়া হয়নি । শপথ নিয়ে নিলে বেগম জিয়া সংসদে যাবার পথ পেতেন না । এটাই হয়তো তাদের কথিত অসাধারণ কৌশল । বাকিটা সময় গেলেই বুঝা যাবে । ধন্যবাদ

    • image

      নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

      ০২ মে, ২০১৯

      স্বপ্ন দেখেন ভাই/ জাইগা ঘুমাইলে কেউ আর জাগাইতে পারে না আর তাই ম্যাডাম খালেদার নির্বাচনে অংশগ্রহণ নিয়ে উচ্চ আদালতের রায় জানার পরেও আপনাদের স্বপ্ন চলমান/ ব্যাপারটার ইংরেজি প্রবাদ হইলো--Building castle in the air!

    • image

      msIqbal

      ০২ মে, ২০১৯

      আমারও সেটাই ধারণা, মুখে যাইই বলুক বিএনপির কৌশলটা আসলে বেগম জিয়াকে সংসদে পাঠানো! মির্জা ফখরুল শপথ না নিলে আসনটি এমনিতেই শূন্য হয়ে যাবে। আর সংসদীয় আসন শূন্য হলে উপনির্বাচন হবে। উপনির্বাচনে বেগম জিয়া অংশ নিবে। তার আগে বেগম জিয়াকে নির্বাচন করতে পারার মতো করে একটা আইনি ওয়াশ করে জামিনে বাইরে আনা হবে। আওয়ামী লীগের যেটা অপকৌশল, বিএনপি সেটাকেই ভাবছে কৌশল।

    • image

      নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

      ০২ মে, ২০১৯

      কৌশল যে অসাধারণ তা বুঝলাম। তবে তারচেয়ে অসাধারণ হচ্ছে আপনার মাথাটা! এই না হলে এন্টেনা?

    • image

      MHossain

      ০২ মে, ২০১৯

      ২ বছর সাজা হলে নির্বাচনের অযোগ্য হয় আর ১৭ বছর সাজা নিয়ে এই মাথা মোটা লোক খালেদা জিয়াকে সংসদে নিয়ে আসার পরিকল্পনা প্রকাশ করতেছে।

  • image

    Humayun Kabir

    ০২ মে, ২০১৯

    জনাব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রথম আলোকে বলেছেন, দলের সিদ্ধান্ত তাঁর কাছে চূড়ান্ত। সেটা ঠিক বা ঠিক নয়, তা সময়ই বলতে পারবে। দল বলতে তিনি তারেক জিয়াকে বুঝিয়েছেন কি না বুঝতে পারলাম না। কোন আগামাথা পা্চ্ছি না। এই প্যাচাল রাখে 'ফনী' চিন্তা করতেছি। দোয়া-দরুদ পড়ে যদি ওটারে অন্য কোন দিকে তাড়ান্ যায় বা দুর্ভল করা যায়। তাতে বাংলাদেশের অনেক ভাল হবে। ইয়া আল্লাহ, ফনীর শনি থেকেস সবাইকে রক্ষা করুন। আমিন।

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ০২ মে, ২০১৯

    হ্যাঁ, ঠিকই বলেছেন - ছটি আসনে তিন ধরণের সিদ্ধান্ত দেখেই বেশ বুঝে নেয়া যায়, কেমন দিশেহারা হয়ে পড়েছে এই দলটি। দলছুট একঝাঁক বাদুড়ে উদ্ভ্রান্তদের নিয়ে পুরোপুরি বিভ্রান্ত এখন বিএনপি। স্থায়ী কমিটি পক্ষাঘাতগ্রস্ত। দলপতি শ্রীঘরবাসী। ভারপ্রাপ্ত প্রবাসী। বড়-মেজো কর্তাগোষ্ঠী যুবরাজের একনায়কত্বে সম্মোহিত। স্কাইপে ভর করে কি শক্তিধর কোনো বিরোধী দলের গোড়াপত্তন হতে পারে বলুন?

    • image

      নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

      ০২ মে, ২০১৯

      খুব মজা পাচ্ছেন তাই না । নেংটি ছাড়া তো আর কিছুই থাকবেনা কয়দিন বাদে । সেই নেংটিই সামলানোর জন্যে এখন থেকে চিন্তা ভাবনা করেন ।

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ০২ মে, ২০১৯

    Not enough: there could be six different decisions for six MP & each decision could contradict other five decisions ! :)

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ০২ মে, ২০১৯

    Time will say

    • image

      নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

      ০২ মে, ২০১৯

      Time and Tide wait for Tarek Rahman

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ০২ মে, ২০১৯

    আমরা সাধারণ মানুষেরা কিন্তু মজাই পাইছি/ জীবনটা পানশে হবার চাইতে বিনপির বিনোদনমুলক নাটক আমাদের কাছে শেক্সপিয়ারের নাটকের চেয়েও প্রেম, বিরহ,বিস্বাসঘাতকতা আর কৌতুকময়তায় ভরপুর মনে হয়/

    • image

      নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

      ০২ মে, ২০১৯

      মজার কি দেখলেন ! মজা যে কত প্রকার ও কি কি তা দেখবেন সময় হলে । আরে মিঞা বিএনপি র হাতে তো ধানের শীষ , লগি বৈঠা তো না যে একদিন না একদিন ঘুনে ধরে মটাশ করে ভেঙ্গে খান খান হয়ে যাবেই । ধানের বীজ শুকিয়ে রাখলে একটু খানি পানির ছোঁয়ায় আবার বীজ গজাবেই একদিন , মনে রাখুন !

  • image

    mahib uddin

    ০২ মে, ২০১৯

    হুম ! যেমন একই প্রতিবেদনের অনেক টাইটেল

  • image

    Moynul

    ০২ মে, ২০১৯

    প্রথম আলো সহ প্রায় সব পত্রিকার মতে বিএনপির সাংসদের সংসদে যাওয়া ঠেকানোর কোনো উপায় ছিলো না/ আসলে উপায় থাকার কথাও না যখন এদের সবাই মেলা টাকা দিয়ে নোমিনেশন কিনেছেন তারেকের কাছ থেকে/কাজেই বিএনপির তথাকথিত গণতন্ত্র উদ্ধারের দাওয়াই যে আগাগোড়াই ভেস্তে যাবে এবং এইভাবে বছরের পর বছর বিএনপি যে আরও দুর্বল হবে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না কারণ ঐতিহ্যগত ভাবেই বিএনপি সুবিধাবাদীদের দল/

  • image

    mahib uddin

    ০২ মে, ২০১৯

    মন্তব্য ঝুলিয়ে রাখবেন, পরে ইচ্ছা খুশি মত পাবলিশ করবেন না হলে ফেলে দেবেন, বাহ! চমৎকার নীতিমালা

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ০২ মে, ২০১৯

    আমি ফখরুল হলে শপথ নিতাম। এরপর গণতন্ত্রের মা জননীর খড়ম দুখানি সংসদে আমার সিটে রেখে দিতাম। এ যে ত্রেতাযুগ নয় তা মানছি; কিন্তু মিডিয়াপাড়ায় তখন কি যে এক সাজ সাজ রব পড়ে যেত তা ভেবেই আমি রোমাঞ্চিত।

    • image

      নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

      ০২ মে, ২০১৯

      আপনি ফখরুল হওয়ার কথা নয় কারন আপনি তো নৌকার দাঁড়ি , বৈঠা , লগীর শক্তিতে বিশ্বাষী । ত্রেতাযুগের মুনিদের স্বপ্ন নিয়েই তো আছেন , বেশী কিছু তো বলতে দিবেন না ।

    • image

      msIqbal

      ০৩ মে, ২০১৯

      এই জন্যই তো আপনি ফখরুল নন, একজন অজ্ঞাত।

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ০২ মে, ২০১৯

    যদ্যপি গুরুর বাণী স্কাইপ হয়ে যায়, তদ্যপি বিএনপি গুরু পার্সেন্টানন্দ রায়।

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ০২ মে, ২০১৯

    আপনারা এখানে যারা কমেন্টস করেছে, তারা এতো বেশি পেকেছেন যে, আপনাদের জন্য ফনির শনি প্রয়োজন ছিল। আপনারা কি দেখেননি 29শে ডিসেম্বর কি নির্বাচন হয়েছে? বিএনপি কে নিয়ে মজা না করে নিজেদের চর্কায় তেল মারেন।

    • image

      নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

      ০২ মে, ২০১৯

      আজ্ঞে, আমি নিতান্তই অজ্ঞ। ২৯ শে ডিসেম্বরে ঠিক কি হয়েছিল তা বিস্তারিত জানালে কৃতার্থ হই। আপনি বরং প্রামানিক তথ্য-উপাত্ত দিয়ে একটি প্রতিবেদনই লিখে ফেলুন। সবাই এ বিষয়ে বিশদ জানতে পারবে তাহলে।

    • image

      নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

      ০২ মে, ২০১৯

      তো মশায় আপনি কার চর্কায় তেল মারছেন! পক্ষ বিপক্ষ থাকবেই। এতে এত উত্তেজিত হওয়ার কি আছে?

    • image

      নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

      ০২ মে, ২০১৯

      আজ্ঞে, নাম প্রকাশে অনিচ্চুক দাদা নিতান্তই অজ্ঞ । ২৯ তারিখ রাতে কি হয়েছিল তা দুনিয়া ভর লোকে জানলে ও তিনারা জানেন না । আসল কথা হলো যে দাওয়াই তিনারা খেয়েছেন তাতে জানলে ও মানবেন না ।

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ০২ মে, ২০১৯

    বর্তমান অবস্থায় বিএনপির কৌশলটা হলো যে আমাদের হাতে কোনো অপশন নেই। সরকার বিএনপির ৫ জনকে সংসদে নেবে , তাদের বহিস্কার করলেও সংসদ বা সরকার সেদিকে আমলে নেবে না , সংসদ , আদালত নির্বাচন কমিশন সবই আওয়ামীলীগের কথার বাইরে চলে না। তাদের দিয়ে বিএনপি সংসদে আছে সেটা প্রমান করবে হয়তো দল ভেঙে সেই ৫ জনকে বিএনপি বলে চালিয়ে দেবে। তাদেরকে মূল বিএনপি বানিয়ে তাদের ধানের শীষ ও দিয়ে দিতে পারে। সংসদের বাইরের কিছু কাক ও তখন সেখানে যোগ দেবে। বিএনপিকে তখন আওয়ামীলীগ আর তাদের তৈরী করা বিএনপির সাথে লড়তে হবে। কেউ কেউ ভাবছেন আমি উল্টা পাল্টা বলছি !! মনে আছে কদিন আগে ও বিএনপি অফিস দখল করতে আসল বিএনপি নামক কিছু লোক নয়াপল্টনে কয়েক দফা শো ডাউন করেছে, ঠিক সেই রকম কিছুই আবার হতো নইলে জাহিদুর রহমান শপথ নিয়ে বলতো না যে আমি বহিস্কার হবো না !! বর্তমান অবস্থায় তারেক রহমান যা করেছে তা সঠিক কিন্তু সেটা বুজতে হলে সময় লাগবে। বিএনপিকে বসে থাকলে চলবে না , মহিলা সংরক্ষিত আসনে জোবায়েদ কে নিয়ে এসে সংসদীয় দলের নেতা বানান, তারপর সেই ৫ জনকে যেন ভাগিয়ে নিতে না পারে সে ব্যবস্থা করুন।

    • image

      Tanjim Ahmed

      ০২ মে, ২০১৯

      দুঃখিত মাফ করবেন । ছেলেদের ব্রেনের ওজন বেশি । প্রথমের লেখাই মিসটেক হয়েছে। দ্রুত করতে গিয়ে এমনটা হয়েছে।

  • image

    Asraful Alam

    ০২ মে, ২০১৯

    মিজা' সাহেব পাটি'র সিদ্ধান্ত না মেনে এখনো কেমতে মহাসচিব !! অন্যদিকে, ভাইজান লন্ঠনে বসে (আসন হিস্যা অনুসারে ) একজন মহিলা এমপি (টেন্ডার কোটেশনে যে বেশি রেইট দিবে) সিলেকশনের বানিজ্য ফাইনাল করে ফেলছেন ........

    • image

      নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

      ০৩ মে, ২০১৯

      Very good comment.

  • image

    সা মো মছিহ্ রানা

    ০২ মে, ২০১৯

    শুধুমাত্র নেতৃত্বের দূর্বলতার কারণে ব্যাপক জনগোষ্ঠী সমর্থিত শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দল-বিএনপি একের পর এক হোচট খাচ্ছে। এতে দলের চেয়েও দেশ-দেশের মানুষ চরম এবং যুগান্তকারী-সুদূরপ্রসারী-দীর্ঘস্থায়ী চতুর্মুখি ক্ষতির সন্মুখিন।

  • image

    M Shaharul Alam

    ০২ মে, ২০১৯

    BNP might be divided no doubt. One team will be with Tarek and other with Khaleda. Though there are several teams also formed before; like with Mr Nazmul , Mr Boruddoza, Mr Oli Ahmed, Mr Ibrahim...............

  • image

    MD.ABDUR RAHMAN

    ০২ মে, ২০১৯

    বিএনপি সংসদে গেলো কি গেলো না, মির্জা ফখরুলের সদস্য পদ বাতিল হলো কি হলো না এগুলো খুবই গৌণ ইস্যু। তবে এ সরকারের জন্য এগুলো খুবই কার্যকরি দাওয়াই। এর মাধ্যমে আওমিলগি দল হিসেবে নিজেদের খুব পরিপক্ক প্রমাণ করছে বলে মনে করা হচ্ছে। মানুষের মনে আওমিলগির বিরুদ্ধে ঘৃণার বিষয়টি নয় শক্তভাবে জায়গা করে নিচ্ছে বিএনপির অপরিপক্কতার বিষয়টি।

  • image

    Ziaul Haque

    ০২ মে, ২০১৯

    আগামী সংসদ নির্বাচনে (২০২৪ সালে) বি এন পিকে অন্তত ৫০ টা সিট দেয়ার দাবী জানাই

    • image

      নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

      ০৩ মে, ২০১৯

      আগামী সংসদ নির্বাচনে বিএনপিকে কোন আসন দেওয়া হবে না। এর মাঝে অন্যান্য বিরোধী প্লাটফর্ম তৈরি করা হবে। বিএনপিকে কবর দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে অনেক দিন আগেই আর তাতে তারা নিজেরাও বেশ সহযোগিতা করছে। সুতরাং বিএনপি এখন ইতিহাসের গর্ভে বিলীন হওয়ার অপেক্ষায়। এটাই বাস্তবতা।

  • image

    Mr.PrimeMinister

    ০২ মে, ২০১৯

    মির্জা ফখরুল সাহেব না জানি ধীরে ধীরে সবার অন্তরালে যান।

  • image

    Rupom

    ০২ মে, ২০১৯

    বিএনপির কাজ কর্ম বিএনপির নিজের জন্যই লজ্জাজনক।

    • image

      নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

      ০২ মে, ২০১৯

      ২৯ ডিসেম্বর রাতের কাজ কর্মের চেয়ে ও কি ... রুপম দাদা ।

  • image

    Kabir

    ০২ মে, ২০১৯

    আসলে তারেকের মনোনয়ন বানিজ্যের গুমোড় ফাঁসের ভয়েই সাংসদদের যোগদানে সম্মতি প্রদান করা হয়েছে। কারন নির্বাচিতরা সংসদে যোগদান করতই। আর এতে দলের সাথে নির্বাচিতদের একটা বড়ষড় গোন্ডগোল লেগে যেত আর এতে সব গোমড় ফাঁস হয়ে যেত।

  • image

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ০২ মে, ২০১৯

    বিএনপি নিয়ে সবাই এত এনালাইসিস না করে একটা ফেয়ার নির্বাচন হউক! তবেই বুঝবেন! বিএনপিতো কোথাও নাই! তারপরও অনেকের চোখে ঘুম নেই! শয়নে স্বপনে শুধু বিএনপি! বিএনপি!

  • image

    Ashraf Shahriar

    ০৩ মে, ২০১৯

    বিএনপি'র এই সাংগঠনিক দুর্বলতা দেশের জন্য ক্ষতিকর। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে এত অপরিপক্ক বিরোধী দল কোনভাবেই কাম্য নয়। বিএনপি'র মাঠ পর্যায়ে যত সংখ্যক সমর্থক আছে এখন তারাও হতাশ। গাছের গোড়ায় পচন ধরলে ডালপালা লতা পাতা কোন কাজে আসে না বিএনপি তার জ্বলন্ত প্রমাণ।

সব মন্তব্য